কালিয়াচকে এসআইআর প্রতিবাদের নামে বিচারকদের কয়েক ঘণ্টা ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট। এই আবহে মালদার জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ করল সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ডিজিপির কাছ থেকে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছে। এরই সঙ্গে এই ঘটনায় সিবিআই বা এনআইএ তদন্তের কথা বলেছে শীর্ষ আদালত।

এদিকে কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকে কালিয়াচকের ঘটনায় চিঠি গিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। এমনকী হোয়াটসঅ্যাপেও ঘটনাটি নিয়ে বিচারপতিদের মধ্যে কথাবার্তা হয় বলে আজ সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, 'হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি তাঁর চিঠিতে জানান, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং স্বরাষ্ট্র সচিবকে ফোন করতে হয়েছিল। অন্যান্য সিনিয়র বিচারপতিরা যোগাযোগ রাখছিলেন। রাত ১২টার পরে যখন সেই বিচারকরা মুক্ত হন তখন তাদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে প্রহার করা হয় এবং পাথর ছোড়া হয়। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন এই ঘটনা জুডিশিয়াল অফিসারদের উপর ব্যাপক ভয়ের প্রভাব ফেলবে। এই ঘটনা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার উদাহরণ।'
এদিকে এই ঘটনায় বিরক্তি প্রকাশ করে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, 'এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারির প্রয়োজন ছিল। নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। এই জুডিশিয়াল অফিসারদের কাজ যাতে মসৃণ ভাবে হয় তা সুনিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ করতে হবে প্রশাসনকে।'
উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল বিকেল ৪টে থেকে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস ঘেরাও করে বহু মানুষ। সেই সময় বিডিও অফিসে ছিলেন ৭ জন বিচারক। তাঁদের মধ্যে চারজন আবার মহিলা বিচারক ছিলেন। গভীর রাত পর্যন্ত এই সব বিচারকদের বিডিও অফিসেই আটকে রাখে বিক্ষোভকারীরা। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ বারবার বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে শুনিয়েও অবরোধ প্রত্যাহার করাতে পারেনি। পরে গভীর রাতে পুলিশ সেই ৭ বিচারককে উদ্ধার করে সেখান থেকে নিয়ে যায়।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল বিকেল ৪টে থেকে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস ঘেরাও করে বহু মানুষ। সেই সময় বিডিও অফিসে ছিলেন ৭ জন বিচারক। তাঁদের মধ্যে চারজন আবার মহিলা বিচারক ছিলেন। গভীর রাত পর্যন্ত এই সব বিচারকদের বিডিও অফিসেই আটকে রাখে বিক্ষোভকারীরা। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ বারবার বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে শুনিয়েও অবরোধ প্রত্যাহার করাতে পারেনি। পরে গভীর রাতে পুলিশ সেই ৭ বিচারককে উদ্ধার করে সেখান থেকে নিয়ে যায়।
{{/usCountry}}জানা যায়, প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে কালিয়াচক ২ ব্লক অফিসে ঘেরাও ছিলেন ৭ বিচারক। প্রায় মধ্যরাতে সেই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পরও বিচারকদের ওপর হামলার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। কালিয়াচক ২ ব্লক অফিস থেকে যখন বিচারকদের পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়, সেই কনভয়ে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ কনভয়ের গাড়ির কাচ ভেঙেছে সেই হামলায়। এদিকে ইতিমধ্যেই ডিজি-র কাছে এই ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট তলব করে কমিশন। এবার রিপোর্ট চাইল সুপ্রিম কোর্ট।