...
...
Next Story

১৫০টি উত্তর ফাঁস, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার! ঝাড়খণ্ড CID-র চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে

JSSC CGL paper leak: এবার ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে সে রাজ্যে আন্দোলন দানা বাঁধতেই দু’বছর আগের সেই কেলেঙ্কারি নিয়ে সিআইডি তদন্তের পুরোনো রিপোর্ট আবার প্রকাশ্যে এল।

Published on: Aug 9, 2026, 23:52:26 IST
Advertisement

JSSC CGL paper leak: ঝাড়খণ্ডে সরকারি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে পড়ুয়াদের আন্দোলন অব্যাহত। টানা দু’সপ্তাহের বিক্ষোভের পরও সমাধান সূত্র মেলেনি। এই আবহে ২০২৪ সালের ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশনের (JSSC-CGL) পরীক্ষায় কোনও দুর্নীতি বা প্রশ্নফাঁস হয়নি (JSSC-CGL paper leak) বলে রাজ্য সরকার যে দাবি করেছিল, খোদ সিআইডি-র তদন্ত রিপোর্টেই তার উল্টো ছবি উঠে এসেছে। কীভাবে এই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল, তার বিস্তারিত বিবরণ-সহ একধিক গুরুত্বর্পূণ নথি প্রকাশ্যে এসেছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-এর প্রতিবেদনে।

ঝাড়খণ্ড CID-র চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে (PTI)
ঝাড়খণ্ড CID-র চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে (PTI)

এবার ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে সে রাজ্যে আন্দোলন দানা বাঁধতেই দু’বছর আগের সেই কেলেঙ্কারি নিয়ে সিআইডি তদন্তের পুরোনো রিপোর্ট আবার প্রকাশ্যে এল। সিআইডি-র রিপোর্ট অনুযায়ী, স্টাফ সিলেকশন কমিশনের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নের উত্তর চড়া দামে বিক্রি করা হয়েছিল। হাজারিবাগ, জামশেদপুর, পাটনা এবং পশ্চিমবঙ্গ, এমনকী নেপালের বিভিন্ন জায়গা থেকে পরীক্ষার উত্তরপত্র পরীক্ষার্থীদের পাঠানো হয়েছিল টাকার বিনিময়ে। এই রিপোর্ট সামনে আসার পর আরও বড় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। ২০২৫ সালের মার্চে সিআইডি তাদের তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়। কিন্তু অভিযোগ, সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে রাজ্য সরকার পরে একটি নতুন বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট (SIT) গঠন করে। সেই সিট আগের তদন্তের বিপরীত অবস্থান নিয়ে গোটা ঘটনাকেই ভিত্তিহীন বলে দাবি করে এবং পরীক্ষাকে কার্যত ক্লিনচিট দেয়।

এরপর থেকেই চাকরিপ্রার্থী ও ছাত্রদের ক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে। তার মধ্যে নতুন করে জেপিএসসি পরীক্ষাতেও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাজ্যজুড়ে শুরু হয় চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন। ছাত্র নেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাতোর (Devendra Nath Mahto) নেতৃত্বে রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে আন্দোলনও তীব্র আকার নেয়। এর মধ্যেই পড়ুয়াদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের ষষ্ঠ দফার বৈঠক শুরু হয়েছে রাঁচিতে। একটি স্টেট গেস্টহাউসে আয়োজিত এই বৈঠকে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এআইএসএ-র প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে পাঁচ দফা বৈঠক হলেও অচলাবস্থা কাটেনি। তবে রাজ্যের মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে (Deepika Singh) সিং জানিয়েছেন, পড়ুয়াদের উদ্বেগ ও দাবিগুলি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের দাবিদাওয়া এবং বৈঠকে উঠে আসা বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe