Ketan Agarwal murder case: পুণের ২৬ বছর বয়সি ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের খুনের (Ketan Agarwal murder case) ঘটনায় পাঁচ হাজার পাতার চার্জশিট জমা করল পুলিশ। গত ১৮ জুন পুণের লোহাগড় দুর্গ থেকে কেতন আগরওয়ালকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় কেতন আগরওয়ালের বাগদত্তা সিয়া গোয়েল, তাঁর ‘প্রেমিক’ চেতন চৌধরীকে (Siya Goyal-Chetan Chaudhary) গ্রেফতার করে পুলিশ। দু’জন বর্তমানে জেলে বন্দি। এই খুনের ঘটনায় রীতেশ হাঙ্গে নামে আরও এক জনকে সম্প্রতি গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, সিয়া গোয়েল, তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী এবং তার সহপাঠী রীতেশ হাঙ্গে তৃতীয়বার কেতন আগরওয়ালকে লোহাগড় দুর্গে নিয়ে যাওয়ার জন্য ‘মাহি’ নামে একটি ভুয়ো সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খোলেন। সেই অ্যাকাউন্ট থেকে কেতনকে মেসেজ করা শুরু করেন। অন্য মেয়ের ছবি দিয়ে কেতনের সঙ্গে চ্যাট শুরু করেন। ঘটনাচক্রে, যে মেয়েটির ছবি সিয়া ‘মাহি’ নামের অ্যাকাউন্টের প্রোফাইলে দিয়েছিলেন, সেই মেয়েটি কেতনের পরিচিত। গত ১৮ জুন ওই অ্যাকাউন্ট থেকে কেতনকে মেসেজ করে বলা হয়, তিনি যেন সিয়াকে লোহাগড় দুর্গে নিয়ে যান। জন্মদিনের চমক দিতে এটাই ভাল সময় বলেও ওই মেসেজে লেখা হয়। পুলিশের দাবি, এই ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়েছিল আর এক অভিযুক্ত রীতেশের পরামর্শে। কেতন খুনের পর সেই অ্যাকাউন্ট মুছেও ফেলা হয়।
পুণের লোনাভলা সংলগ্ন লোহগড় দুর্গে গত ১৮ জুন ছবি তুলতে গিয়ে খাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছিল ২৬ বছরের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের- এমনই প্রথমটা ভেবেছিল সবাই। কিন্তু এই ঘটনার অন্তরালে ছিল হবু স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিকের আঁটা খুনের এক ভয়াবহ নকশা। পুণে গ্রামীণ পুলিশ এই চাঞ্চল্যকর মামলার সমাধান করে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ওয়াদগাঁও মাভাল আদালতে জমা দিয়েছে ৫ হাজার ৫৩ পাতার চার্জশিট। চার্জশিটে বলা হয়েছে, অপরাধ ঘটানোর আগে অভিযুক্তরা অনলাইনে ২০২৫ সালের লোহগড় দুর্গের একটি দুর্ঘটনার খবর (যেখানে এক মহিলা পড়ে মারা যান) এবং আলোচিত ‘সোনম রঘুবংশী খুন মামলা’ নিয়ে বিস্তর খোঁজাখুঁজি করেছিল। কেতনকে খুনের আগে বেশ কয়েকটি ক্রাইম সিরিজ দেখেন সিয়ারা। সেখান থেকে খুনের ধরন সম্পর্কে ধারণা নেন। শুধু তা-ই নয়, খুনের পর কী ভাবে গ্রেফতারির হাত থেকে বাঁচবেন, সে সম্পর্কে ধারণা নিতে বেশ কয়েকটি পডকাস্টও দেখেন সিয়ারা।
চার্জশিটে বলা হয়েছে, লোনাভলার আশপাশের বেশ কয়েকটি জায়গা ঘুরে দেখেন সিয়া এবং তাঁর প্রেমিক। তার মধ্যে লোহাগড় দুর্গও ছিল। গত ২১ মে শেষে দিকে সিয়া এবং চেতন টাইগার পয়েন্ট এবং আরও কয়েকটি পাহাড়ি এলাকায় রেকি করেন। সেই জায়গাগুলির তালিকা তৈরি করেন। কিন্তু একেবারে নির্জন কোনও জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষে লোহাগড় দুর্গ রেকি করেন সিয়ারা। এমনকী ১৮ জুনের ঘটনার ঠিক চার দিন আগে, অর্থাৎ ১৪ জুন সিয়া একইভাবে কেতনকে লোহগড় দুর্গে নিয়ে গিয়ে পাহাড় থেকে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেবার কেতন কোনওমতে একটি গাছের ডাল আঁকড়ে ধরে বেঁচে গিয়েছিলেন। তবে সে দিন কেতন কোনও মতে বেঁচে গেলেও পরের দিনের ধাক্কা সামলাতে পারেননি। পুলিশের এই চার্জশিটে প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ জন সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হল, লোহগড় দুর্গে খুনের সময় সিয়া গোয়েল এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে অপরাধ ঘটাতে দেখেছেন এমন ৩ জন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট, ছবি, কল ডিটেইল রেকর্ড (CDR), মোবাইল ডেটা এবং নানা কারিগরি নথিপত্র প্রমাণ হিসেবে পেশ করেছে পুলিশ।
{{/usCountry}}চার্জশিটে বলা হয়েছে, লোনাভলার আশপাশের বেশ কয়েকটি জায়গা ঘুরে দেখেন সিয়া এবং তাঁর প্রেমিক। তার মধ্যে লোহাগড় দুর্গও ছিল। গত ২১ মে শেষে দিকে সিয়া এবং চেতন টাইগার পয়েন্ট এবং আরও কয়েকটি পাহাড়ি এলাকায় রেকি করেন। সেই জায়গাগুলির তালিকা তৈরি করেন। কিন্তু একেবারে নির্জন কোনও জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষে লোহাগড় দুর্গ রেকি করেন সিয়ারা। এমনকী ১৮ জুনের ঘটনার ঠিক চার দিন আগে, অর্থাৎ ১৪ জুন সিয়া একইভাবে কেতনকে লোহগড় দুর্গে নিয়ে গিয়ে পাহাড় থেকে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেবার কেতন কোনওমতে একটি গাছের ডাল আঁকড়ে ধরে বেঁচে গিয়েছিলেন। তবে সে দিন কেতন কোনও মতে বেঁচে গেলেও পরের দিনের ধাক্কা সামলাতে পারেননি। পুলিশের এই চার্জশিটে প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ জন সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হল, লোহগড় দুর্গে খুনের সময় সিয়া গোয়েল এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে অপরাধ ঘটাতে দেখেছেন এমন ৩ জন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট, ছবি, কল ডিটেইল রেকর্ড (CDR), মোবাইল ডেটা এবং নানা কারিগরি নথিপত্র প্রমাণ হিসেবে পেশ করেছে পুলিশ।
{{/usCountry}}