নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার পথে হামলা ও বিক্ষোভের মুখে পড়লেন প্রবীণ কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। তাঁর কনভয়ের গাড়ি ঘিরে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। হামলায় তাঁর এক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন বলেই খবর। কেরলমের মালাপ্পুরম জেলার ওয়ান্দুর এলাকায় এই হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

এই ঘটনার পর শশী থারুরের চালক রথীশ কেপি-র অভিযোগের ভিত্তিতে ওয়ান্ডুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে একজনকে আটক করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ হওয়া দুটি যানবাহন বাজেয়াপ্ত করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে কালিকাভুরের বাসিন্দা উম্মারা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর ধারায়, অর্থাৎ জামিন অযোগ্য মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে এক্স হ্যান্ডেলে শশী থারুর লিখেছেন, ‘অনেকে মেসেজ করে খোঁজ নিয়েছেন। সত্যি সেটা খুব ভাল লেগেছে। আমার নিরাপত্তা রক্ষী ভাল আছেন। আমার কিছু হয়নি। বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদ।’ তিনি জানিয়েছেন, কনভয় আটকানো যায়নি। ওই ঘটনার পরেও তিনি দু’টি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।
ঘটনার সূত্রপাত
জানা গিয়েছে, শুক্রবার শশী থারুর ইউডিএফ প্রার্থী এপি অনিল কুমারের হয়ে প্রচারের জন্য ওয়ান্দুর যাচ্ছিলেন, সেই সময়ই এই হামলা করা হয়। কেরলের মলপ্পুরমে গিয়ে বিক্ষোভ-অবরোধের মুখে পড়েন তিরুবনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ। তিরুভাল্লি চেলিথোডু ব্রিজের কাছে বেশ কিছু মানুষ জমায়েত করে ছিল। তারা জোর করে শশী থারুরের কনভয় থামায়। শশী থারুরের টিমের দাবি, দুটি গাড়ি নিয়ে তাঁরা যাচ্ছিলেন, এমন সময় জনা আটেক লোক পথ আটকে দাঁড়ায়। তারা কিছুতেই গাড়ি এগোতে দিচ্ছিলেন না। বাইরে দাঁড়িয়ে চিৎকার করতে থাকেন। শশী থারুরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক নিরাপত্তা রক্ষী গাড়ি থেকে নেমে তাদের সরাতে গেলে, তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয়। কংগ্রেস সূত্রে খবর, ঘটনার পরপরই পুলিশে খবর দেওয়া হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নিরাপত্তারক্ষীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় শুক্রবার গভীর রাতে একজনকে আটক করা হয়েছে এবং বাকি অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়েছে। শীঘ্রই তাদের গ্রেফতার করা হবে। কেন শশী থারুরের কনভয় আটকে রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক ভাবে পুলিশ এই হামলার পিছনে কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড খুঁজে পায়নি বলেই জানা গিয়েছে।
নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। উল্লেখ্য, আগামী ৯ এপ্রিল কেরলে এক দফায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, এবং ৪ মে ভোট গণনা হবে। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়ানো যায়। কেরলে এবার কুর্শি দখলের মূল লড়াই হচ্ছে এলডিএফ, ইউডিএফ এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র মধ্যে।
{{/usCountry}}নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। উল্লেখ্য, আগামী ৯ এপ্রিল কেরলে এক দফায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, এবং ৪ মে ভোট গণনা হবে। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়ানো যায়। কেরলে এবার কুর্শি দখলের মূল লড়াই হচ্ছে এলডিএফ, ইউডিএফ এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র মধ্যে।
{{/usCountry}}