Sheikh Hasina: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক স্তরে রেষারেষি তীব্র হয়েছে গত এই ২ বছরে। তবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক ফের স্বাভাবিক হচ্ছে। এই আবহে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান সম্প্রতি ভারত সফরে এসেছিলেন। সেই সময় আনুষ্ঠানিকভাবে হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন তিনি। এই আবহে এবার হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে ভারত সরকার নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে।

শুক্রবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে। সেই আবেদন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে বিষয়টি বর্তমানে বিচার বিভাগীয় এবং অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ। ভারত আরও জোর দিয়ে বলেছে যে তারা এই ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত পক্ষের সাথে গঠনমূলকভাবে কাজ চালিয়ে যাবে। তবে প্রত্যর্পণের জন্য ভারত এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা বা প্রতিশ্রুতি দেয়নি।
এর আগে দিল্লি সফর শেষে মরিশাসের পোর্ট লুইসে নবম ভারত মহাসাগর সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। সেখানে গিয়েই তিনি নিশ্চিত করেন যে ঢাকা হাসিনার প্রত্যর্পণের পক্ষে সওয়াল করেছে দিল্লির কাছে। বাংলাদেশি বিদেশমন্ত্রী বলেছিলেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার হাসিনার প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট বাংলাদেশ ছাড়ার আগে শেখ হাসিনা যে 'অপরাধ' করেছিলেন, তার জন্য বাংলাদেশ তাঁর প্রত্যর্পণ চেয়েছে।
উল্লেখ্য, দিল্লি সফরকালে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছিলেন খলিলুর রহমান। বৈঠকে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। ভারত সরকার গত বছরের মতো এবারও বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এদিকে ইউনুস পরবর্তী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আবার শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বিশ্বস্ত মিত্র। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট বাংলাদেশে হিংসা ছড়িয়ে পড়ার পরে তিনি ভারতে এসেছিলেন। এরপর থেকে তিনি ভারতে বসবাস করছেন। তাঁর প্রত্যর্পণ বাংলাদেশের নতুন সরকারের জন্য একটি বড় অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ভারতের জন্য এটি আইনি ও কূটনৈতিকভাবে একটি জটিল বিষয়।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, দিল্লি সফরকালে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছিলেন খলিলুর রহমান। বৈঠকে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। ভারত সরকার গত বছরের মতো এবারও বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এদিকে ইউনুস পরবর্তী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আবার শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বিশ্বস্ত মিত্র। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট বাংলাদেশে হিংসা ছড়িয়ে পড়ার পরে তিনি ভারতে এসেছিলেন। এরপর থেকে তিনি ভারতে বসবাস করছেন। তাঁর প্রত্যর্পণ বাংলাদেশের নতুন সরকারের জন্য একটি বড় অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ভারতের জন্য এটি আইনি ও কূটনৈতিকভাবে একটি জটিল বিষয়।
{{/usCountry}}