...
...
Next Story

অপহরণ মামলা, আটক! দিল্লি বনাম হিমাচল পুলিশের লড়াইয়ে তপ্ত শিমলা, গভীর রাতে আদালত...

বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ রোহরু থেকে গ্রেফতারের পর দিল্লি পুলিশ ধৃতদের রাজধানীতে নিয়ে যাওয়ার পথে সোলান জেলার ধরমপুর এলাকায় হিমাচল প্রদেশ পুলিশ তাদের গাড়ি আটকায়।

Published on: Feb 26, 2026, 14:05:01 IST
Advertisement

গত সপ্তাহে দিল্লিতে আয়োজিত এআই সম্মেলনে ‘শার্টলেস’ বিক্ষোভ প্রদর্শনের অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠে। ওই ঘটনার জেরে বুধবার হিমাচল প্রদেশ থেকে তিন জন যুব কংগ্রেস কর্মীকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। আর সেই গ্রেফতারি ঘিরেই চরম অশান্তি তৈরি হয় দিল্লি ও হিমাচলের পুলিশের মধ্যে। অবশেষে ২৪ ঘন্টা পর আদালতের হস্তক্ষেপে দিল্লি এবং হিমাচল প্রদেশ পুলিশের মধ্যে নজিরবিহীন সংঘাত ও নাটকীয় পরিস্থিতির অবসান হয়েছে।

দিল্লি বনাম হিমাচল পুলিশের লড়াইয়ে তপ্ত শিমলা
দিল্লি বনাম হিমাচল পুলিশের লড়াইয়ে তপ্ত শিমলা

গত শুক্রবার দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে প্রদর্শনী হলের ভেতরে যুব কংগ্রেসের (আইওয়াইসি) তিন কর্মী ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতা করে স্লোগান লেখা টি-শার্ট হাতে প্রতিবাদ দেখান। এরপরই নিরাপত্তা কর্মীরা দ্রুত তাঁদের হল থেকে বের করে দেন।

দিল্লি ও হিমাচল পুলিশের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ

এই ঘটনার সূত্র ধরে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল হিমাচল প্রদেশের শিমলা জেলার রোহরু এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতরা হলেন-সৌরভ সিং (উত্তরপ্রদেশ), আরবাজ খান (উত্তরপ্রদেশ) এবং সিদ্ধার্থ অবধূত (মধ্যপ্রদেশ)। বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ রোহরু থেকে গ্রেফতারের পর দিল্লি পুলিশ তাদের রাজধানীতে নিয়ে যাওয়ার পথে সোলান জেলার ধরমপুর এলাকায় হিমাচল প্রদেশ পুলিশ তাদের গাড়ি আটকায়। অভিযোগ ওঠে, দিল্লি পুলিশ আন্তঃরাজ্য গ্রেফতারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ট্রানজিট রিমান্ড ও স্থানীয় পুলিশকে অবহিত না করেই অভিযান চালিয়েছে। হিমাচল পুলিশ শুধু দিল্লি পুলিশের গাড়ি আটকায়নি, বরং প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে প্রায় ১৫-২০ জন পুলিশ কর্মীকে ‘আটক’ করে রাখে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকী দিল্লি পুলিশের তিনটি সরকারি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়।

দিনভর আইনি টানাপোড়েনের পর বুধবার রাতে দিল্লি পুলিশ ফের অভিযুক্তদের রাজধানীতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শিমলার উপকণ্ঠে একটি ব্যারিকেডে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত অভিযুক্ত ও দিল্লি পুলিশ কর্মীদের শিমলায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং গভীর রাতে হাজির করা হয় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে। রাত প্রায় ১টা নাগাদ কাপিলের আদালতে শুনানি হয়। দীর্ঘ শুনানির পর দিল্লি পুলিশের ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। এরপর সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় ৫টা ৫৫ মিনিটে দিল্লি পুলিশ অবশেষে তিন যুব কংগ্রেস কর্মীকে নিয়ে রাজধানীর উদ্দেশে রওনা দেয়। হিন্দুস্তান টাইমসকে দিল্লি পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের সরকারি গাড়ি আইনত বাজেয়াপ্ত করা যায় না। দীর্ঘ সময় আমাদের আটকে রাখা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে আমরা রওনা হয়েছি।’ অভিযুক্তদের দিল্লিতে পৌঁছে স্থানীয় আদালতে হাজির করা হবে বলেও জানিয়েছেন তারা।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe