...
...
Next Story

Karnataka Politics: কর্ণাটকে নাটক অব্যাহত! পদত্যাগের পর দিল্লির পথে সিদ্দারামাইয়া, সঙ্গী শিবকুমার

Karnataka Politics: ইস্তফার পরও বিধায়ক হিসেবেই সক্রিয় থাকবেন সিদ্ধারামাইয়া। তিনি বর্তমানে বরুণা কেন্দ্রের বিধায়ক। পাশাপাশি কর্ণাটকের কংগ্রেস সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার কাজেও নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন বলে জানিয়েছেন।

Published on: May 29, 2026, 10:54:52 IST
Advertisement

Karnataka Politics: কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই সে রাজ্যে কংগ্রেসের অন্দরে ক্ষমতার রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত। এবার সেই জল্পনা এবং চোরা কোন্দল এক নতুন মাত্রা নিল। দীর্ঘ আলোচনার পরে অবশেষে কংগ্রেস হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিদ্দারামাইয়া। তাঁর ইস্তফার পর এবার কর্ণাটকের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। এই জল্পনার মধ্যেই শুক্রবার দিল্লিতে কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালার সঙ্গে দেখা করবেন সিদ্দারামাইয়া ও ডিকে শিবকুমার।

পদত্যাগের পর দিল্লির পথে সিদ্দারামাইয়া (Savitha)
পদত্যাগের পর দিল্লির পথে সিদ্দারামাইয়া (Savitha)

সূত্রের খবর, রণদীপ সুরজেওয়ালা ছাড়াও এদিন উভয় নেতাই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধী এবং দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের আগে এই বৈঠকে মূলত রাজ্যসভার প্রার্থী চূড়ান্তকরণ, বিধান পরিষদের (এমএলসি) মনোনয়ন এবং সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা রদবদলের ওপর জোর দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে যে, সিদ্দারামাইয়া মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর ডিকে শিবকুমারের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার সম্ভাবনা একপ্রকার নেই বললেই চলে। নতুন সরকারে সামাজিক ও আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখতে দলীয় হাইকমান্ড চারজন উপ-মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

এদিকে, ২০২৩ সালের নির্বাচনী জয়ের পর আবর্তিত ক্ষমতা-বণ্টন নীতি মেনে ডিকে শিবকুমারের জন্য পথ ছেড়ে দিতে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন সিদ্দারামাইয়া। তবে দিনের শেষে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা আসে তাঁর রাজ্যসভা প্রসঙ্গে মন্তব্য ঘিরে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিদ্দারামাইয়া স্পষ্ট বলেন, 'দল আমাকে রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু আমি না বলে দিয়েছি। জাতীয় রাজনীতিতে আমার কোনও আগ্রহ নেই। আমি রাজ্যের সক্রিয় রাজনীতিতেই থাকব।' রাজনৈতিক মহলের মতে, এই অবস্থান কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলতে পারে। কারণ দলীয় সূত্রে খবর ছিল, নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিনিময়ে সিদ্দারামাইয়াকে কেন্দ্রীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবং রাজ্যসভার আসনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি রাজ্য রাজনীতিতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। গত এক বছর ধরে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরে টানাপড়েন চলছিল। ডিকে শিবকুমারের অনুগামীরা বারবার নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি তুললেও সিদ্দারামাইয়া নিজের অবস্থানে অনড় ছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে বেঙ্গালুরুতে মন্ত্রিসভার সদস্য ও দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতরাশ বৈঠক করেন সিদ্ধারামাইয়া। সেই বৈঠকের পরই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইস্তফার ঘোষণা করেন। পরে রাজভবনে গিয়ে গভর্নরের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks