...
...
Next Story

Sikkim Tunnel Collapse Death Toll: সিকিমে ভয়াবহ টানেল দুর্ঘটনা, মৃত বেড়ে ৭; এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে বহু শ্রমিক

সোমবার দুপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, টানেলের প্রবেশপথ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ভিতরে একটি অংশে মিথেন গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস বের করার চেষ্টা চলাকালীন বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে টানেলের ভিতরে ধস নামে এবং বেরোনোর রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

Published on: Jul 21, 2026, 09:10:22 IST
Advertisement

সিকিমের নামচি জেলায় এনএইচপিসির (NHPC) তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৭। এখনও একাধিক শ্রমিক টানেলের ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চললেও বিষাক্ত গ্যাস, ধস এবং অক্সিজেনের ঘাটতির কারণে উদ্ধারকারীরা চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন।

সিকিমের নামচি জেলায় এনএইচপিসির (NHPC) তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৭। (PTI)
সিকিমের নামচি জেলায় এনএইচপিসির (NHPC) তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৭। (PTI)

সোমবার দুপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, টানেলের প্রবেশপথ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ভিতরে একটি অংশে মিথেন গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস বের করার চেষ্টা চলাকালীন বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে টানেলের ভিতরে ধস নামে এবং বেরোনোর রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে বহু শ্রমিক টানেলের ভিতরে আটকে পড়েন।

দুর্ঘটনার সময় টানেলের ভিতরে মোট ৪৩ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে প্রশাসন জানিয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৬ জন কোনওভাবে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। তবে অন্তত ২৭ জন ভিতরে আটকে পড়েন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। পরে উদ্ধার অভিযান চলাকালীন সাতজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও বেশ কয়েকজন শ্রমিকের খোঁজ মেলেনি।

জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, প্রথমে আটকে পড়া শ্রমিকের সংখ্যা কম বলে মনে হলেও উপস্থিতির খাতা এবং সংস্থার নথি খতিয়ে দেখে প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা হচ্ছে। তাই উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত আটকে থাকা শ্রমিকের সংখ্যায় পরিবর্তন হতে পারে।

বর্তমানে ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসন, এনএইচপিসি, পুলিশ, এনডিআরএফ এবং অন্যান্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর আধিকারিকরা উপস্থিত রয়েছেন। টানেলের ভিতরে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা উন্নত করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি বিশেষ যন্ত্রপাতির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছে নিরাপদে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান। নিখোঁজ শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদে বাইরে আনার জন্য সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন ও উদ্ধারকারী বাহিনী।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe