Silver Import Restrictions: ভারত থেকে রুপো আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার থেকে রুপো আমদানি করতে হল সরকারের থেকে অনুমতি নিতে হবে। উল্লেখ্য, এর আগে এপ্রিল মাসে দেশে হু হু করে বেড়েছিল রুপো আমদানি। ২০২৫ সালের এপ্রিলের তুলনায় এই বছর এপ্রিলে ১৫৭.১৬ শতাংশ বেশি রুপো আমদানি করা হয়েছিল ভারতে। এতদিন আমদানি ক্ষেত্রে 'মুক্ত' ক্যাটাগোরিতে ছিল রুপো। অর্থাৎ, ইচ্ছে হলেই রুপো আমদানি করা যেত। তবে এবার রুপোকে 'সীমাবদ্ধ' শ্রেণিভুক্ত করেছে সরকার। উল্লেখ্য, আগামী দিনের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ প্রস্তুত রাখতেই এই পদক্ষেপ।

জ্বালানি ও সারের মতো প্রয়োজনীয় পণ্যের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে চাইছে সরকার। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি আবেদন করেছিলেন, একবছরের জন্য যাতে সোনা-রুপো না কেনে কেউ। এরপর সোনা ও রুপো আমদানির ওপর শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ বর্তমানে ৬৯০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। যা ১০ মাসের জন্য আমদানির মূল্য চোকানোর জন্য যথেষ্ট। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে সরকার সতর্কতা অবলম্বন করছে।
উল্লেখ্য, মূল্যবান ধাতু, বিশেষ করে সোনা ও রুপোর আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের ওপর বড় টান পড়ে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের স্বর্ণ আমদানি ২৪.০৮ শতাংশ বেড়েছিল। ভারত মোট ৭১.৯৮ বিলিয়ন ডলারের সোনা আমদানি করে গত অর্থবর্ষে। এদিকে রুপোর আমদানি ১৪৯.৪৮ শতাংশ বেড়ে ১২.০৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছিল। আর গত এপ্রিলে ভারতে ৪১১.০৬ মিলিয়ন ডলারের রুপো আমদানি করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের এপ্রিলে ১৫৯.৮৫ মিলিয়ন ডলারেরই রুপো আমদানি করা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে জ্বালানি আমদানি আবশ্যক। এরই সঙ্গে কৃষিকাজের জন্য সার আমদানিরও কোনও বিকল্প নেই। এদিকে জ্বালানি নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতির কারণেই চাহিদা বাড়ছে সোনার। এর জেরে দেশের খরচ বাড়ছে। এই আবহে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য বিপদ বুঝে আগেভাগেই পদক্ষেপ করেছে সরকার। রুপো-সোনা আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধি, আমদানি নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা এই খা খরচ কমাতে চাইছে ভারত।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে জ্বালানি আমদানি আবশ্যক। এরই সঙ্গে কৃষিকাজের জন্য সার আমদানিরও কোনও বিকল্প নেই। এদিকে জ্বালানি নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতির কারণেই চাহিদা বাড়ছে সোনার। এর জেরে দেশের খরচ বাড়ছে। এই আবহে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য বিপদ বুঝে আগেভাগেই পদক্ষেপ করেছে সরকার। রুপো-সোনা আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধি, আমদানি নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা এই খা খরচ কমাতে চাইছে ভারত।
{{/usCountry}}