...
...
Next Story

SIPRI Report on India's Nuke: পারমাণবিক শক্তি বাড়াল ভারত, SIPRI রিপোর্টে চিন-পাকিস্তানকে ঘিরে নতুন সমীকরণ

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট (SIPRI)-এর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২৪ সালে ভারতের হাতে যেখানে ১৮০টি পরমাণু অস্ত্র ছিল, ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯০। একইসঙ্গে দেশের সামরিক আধুনিকীকরণ এবং প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে।

Published on: Jun 9, 2026, 11:16:41 IST
Advertisement

ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার গত দু’বছরে আরও শক্তিশালী হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট (SIPRI)-এর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২৪ সালে ভারতের হাতে যেখানে ১৮০টি পরমাণু অস্ত্র ছিল, ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯০। একইসঙ্গে দেশের সামরিক আধুনিকীকরণ এবং প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে।

২০২৪ সালে ভারতের হাতে যেখানে ১৮০টি পরমাণু অস্ত্র ছিল, ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯০। (AP)
২০২৪ সালে ভারতের হাতে যেখানে ১৮০টি পরমাণু অস্ত্র ছিল, ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯০। (AP)

SIPRI-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতের ১২টি পরমাণু ওয়ারহেড যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত অবস্থায় রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা শূন্য ছিল বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। যদিও ভারত সরকার কখনওই নিজেদের পারমাণবিক অস্ত্রের সঠিক সংখ্যা, ক্ষমতা বা মোতায়েন সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে না। ফলে SIPRI-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার এই ধরনের রিপোর্ট মূলত অনুমান ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে ভারত ১০টি নতুন ওয়ারহেড যুক্ত করেছে। পাশাপাশি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতা এবং এমআইআরভি (MIRV) প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের পারমাণবিক আধুনিকীকরণ পরিকল্পনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু এখন চিন। কারণ, পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বেজিং দ্রুত এগিয়ে চলেছে। SIPRI-এর হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে চিনের কাছে রয়েছে ৬২০টি ওয়ারহেড।

অন্যদিকে পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারে উল্লেখযোগ্য কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের কাছে প্রায় ১৭০টি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। ভূমি, জল ও আকাশ—তিন ক্ষেত্রেই এখন পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করেছে ভারত। ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতেও এসেছে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। বিশেষ করে এমআইআরভি প্রযুক্তি ভারতের সামরিক সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ক্ষেপণাস্ত্র থেকে একাধিক ওয়ারহেড আলাদা আলাদা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এছাড়াও অগ্নি-৫, অগ্নি-পি-সহ একাধিক দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে সাফল্য পেয়েছে দেশ। তবে পারমাণবিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতের নীতিগত অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। দেশ এখনও ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতি মেনে চলে, অর্থাৎ ভারত প্রথমে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে না বলেই সরকারি অবস্থান। ফলে শক্তি বৃদ্ধি হলেও প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান বজায় রেখেই এগোচ্ছে নয়াদিল্লি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe