প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এবার স্লোগানে মুখর বাংলাদেশের ঢাকা। সম্প্রতি ওসমান হাদির নাম না নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন মমতা। তারই রেশ টেনে ঢাকায় ইনকিলাব মঞ্চ এবং ভারত বিরোধীরা মিছিল বের করে। সেই মিছিলেই স্লোগান ওঠে মমতাকে নিয়ে। আগামী শুক্রবারের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার যদি হাদি হত্যাকারীদের নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনও তথ্য বা তাদের বিচার নিশ্চিত করতে সময়সীমা দিতে না পারে তাহলে জনগণকে নিয়ে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করারও ঘোষণা দেয় ইনকিলাব মঞ্চ।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, 'নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার তিন মাস হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত সরকার ওসমান হাদির বিচারের ব্যাপারে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রণয়ন করতে পারেনি। সরকার বারবার বলছে হত্যাকারীকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রক্রিয়া কিয়ামত পর্যন্ত চলবে কি না সেটা আমরা জানতে চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বক্তব্য দিয়েছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচিত ছিল সেই বক্তব্য আমলে নিয়ে এর সত্য–মিথ্যা ঘটনা উদ্ঘাটন করার। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বললেন যে পরাজিত প্রার্থীর কোনো কথা তাঁরা আমলে নিচ্ছেন না।'
প্রসঙ্গত, ধর্মতলার কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশের একটি বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক অভিযুক্তকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ গ্রেফতার করেছিল। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথাও হয়েছিল। তবে দেশের স্বার্থে তিনি কোনও ব্যক্তির নাম প্রকাশ করতে চান না বলেও মন্তব্য করেন। গত ২ জুনের সভায় এই ঘটনার উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের একটি বড় হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্তদের রাজ্যের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কী তথ্য সামনে এসেছিল, সে বিষয়ে তিনি অবগত। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ভূমিকাও উঠে আসে। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থের কথা উল্লেখ করে কিছু তথ্য প্রকাশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা, তিনি বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক কর্মীর হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত ঘটনার প্রসঙ্গেই ইঙ্গিত করেছিলেন। সেই মামলায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে।
{{/usCountry}}মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা, তিনি বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক কর্মীর হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত ঘটনার প্রসঙ্গেই ইঙ্গিত করেছিলেন। সেই মামলায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে।
{{/usCountry}}