Sonam Wangchuk on CJP: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতাদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। এমনটাই দাবি করলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনের সময় বিষয়টি তিনি নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানান। তবে একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকা কোনও অন্যায় নয়, বরং আরও বেশি সংখ্যক তরুণ নেতৃত্বের সক্রিয় রাজনীতিতে আসা অথবা নতুন দল গঠন করা উচিত।

প্রখর গুপ্তর একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে সোনম ওয়াংচুক বলেন, 'ওদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রসঙ্গে বলতে গেলে বলব, আমার মনে হয় তাঁদের নিশ্চিতভাবেই রাজনৈতিক লক্ষ্য রয়েছে। আমি খুব কাছ থেকে তাঁদের পর্যবেক্ষণ করেছি আমি বিশ্বাস করি যে তাঁদের অবশ্যই রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা আছে। এবং সম্ভবত এতে কোনও ভুলও নেই। ওরা নিজেরা আমাকে কিছু বলেনি, এটি সম্পূর্ণ আমার নিজস্ব পর্যবেক্ষণ। ওরা কেউ সাধু-সন্ন্যাসী নন যে নিঃস্বার্থভাবে সবকিছু করবেন। আমি নিশ্চিত যে তাঁদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা আছে, এবং এতে কোনও ভুল নেই।' ৫৯ বছর বয়সি সোনম ওয়াংচুক জানান, তিনি যখন ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন, তখন বহু সমালোচক তাঁকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এর আগে আম আদমি পার্টির (AAP) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে অতীতে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকাকে তিনি কোনও সমস্যা বলে মনে করেননি।
ছাত্র আন্দোলনকে রাজনৈতিক রং না দেওয়ার পরামর্শ
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলা প্রায় দু'মাসব্যাপী আন্দোলনে অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন সোনম ওয়াংচুক। তিনি জানান, সেই সময় তিনি তাঁদের স্পষ্ট পরামর্শ দিয়েছিলেন যেন এই ছাত্র মঞ্চকে কোনও রাজনৈতিক দলের স্বার্থে ব্যবহার না করা হয়। ওয়াংচুক বলেন, 'মঞ্চে থাকাকালীন আমি তাঁদের বারবার বলছিলাম যে, আপনাদের প্রত্যেকেরই রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে এবং তরুণ ও উদীয়মান নেতা থাকাটা আসলেই একটি ভালো ব্যাপার। কিন্তু এই মঞ্চের পবিত্রতা বজায় রাখুন। এটিকে নিরপেক্ষ, অরাজনৈতিক এবং একটি প্রেশার গ্ৰুপ হিসেবে রাখুন, কারণ এভাবেই আপনারা আরও অনেক বেশি কিছু অর্জন করতে পারবেন।' তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষ এই আন্দোলনকে বিজেপি, কংগ্রেস বা আপ-এর কোনও দলের মঞ্চ হিসেবে দেখেনি, বরং একটি খাঁটি ছাত্র আন্দোলন হিসেবেই গ্রহণ করেছিল। আন্দোলনকারীরা সেই নিরপেক্ষতা বজায় রাখায় সন্তোষ প্রকাশ করে ওয়াংচুক বলেন, 'ওরা যে বিষয়টি বজায় রেখেছে, তা দেখে আমি খুশি হয়েছি। আর রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা বলতে গেলে, সেটা খুবই স্বাভাবিক। এ ধরনের বিষয় নিয়ে কাজ করে যদি কর্মজীবন শুরু করা হয়, আমার মনে হয় সেটা একটা ভালো বিষয়।'
{{/usCountry}}কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলা প্রায় দু'মাসব্যাপী আন্দোলনে অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন সোনম ওয়াংচুক। তিনি জানান, সেই সময় তিনি তাঁদের স্পষ্ট পরামর্শ দিয়েছিলেন যেন এই ছাত্র মঞ্চকে কোনও রাজনৈতিক দলের স্বার্থে ব্যবহার না করা হয়। ওয়াংচুক বলেন, 'মঞ্চে থাকাকালীন আমি তাঁদের বারবার বলছিলাম যে, আপনাদের প্রত্যেকেরই রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে এবং তরুণ ও উদীয়মান নেতা থাকাটা আসলেই একটি ভালো ব্যাপার। কিন্তু এই মঞ্চের পবিত্রতা বজায় রাখুন। এটিকে নিরপেক্ষ, অরাজনৈতিক এবং একটি প্রেশার গ্ৰুপ হিসেবে রাখুন, কারণ এভাবেই আপনারা আরও অনেক বেশি কিছু অর্জন করতে পারবেন।' তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষ এই আন্দোলনকে বিজেপি, কংগ্রেস বা আপ-এর কোনও দলের মঞ্চ হিসেবে দেখেনি, বরং একটি খাঁটি ছাত্র আন্দোলন হিসেবেই গ্রহণ করেছিল। আন্দোলনকারীরা সেই নিরপেক্ষতা বজায় রাখায় সন্তোষ প্রকাশ করে ওয়াংচুক বলেন, 'ওরা যে বিষয়টি বজায় রেখেছে, তা দেখে আমি খুশি হয়েছি। আর রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা বলতে গেলে, সেটা খুবই স্বাভাবিক। এ ধরনের বিষয় নিয়ে কাজ করে যদি কর্মজীবন শুরু করা হয়, আমার মনে হয় সেটা একটা ভালো বিষয়।'
{{/usCountry}}