সদ্যই অনশনরত সোনাম ওয়াংচুককে দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে সরিয়ে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। এরপর আজ সোমবার সংসদভবন পর্যন্ত মার্চের পরিকল্পনা ছিল সিজেপির। সেই অভিযান ঘিরে রাজধানী দিল্লির বুকে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। এরই মাঝে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডার সঙ্গে দেখা করেন সিজেপির প্রতিনিধিরা। খবর উঠে আসে যে, হাসপাতালে ভর্তি সোনাম ওয়াংচুকও নাকি অনশন তুলে নিচ্ছেন, তবে সেই খবরকে খারিজ করে সোনাম ওয়াংচুক সাফ জানিয়েছেন যে তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন।
সোনাম ওয়াংচুক এদিন জানান, 'আমি আমার অনশন চালিয়ে যাব (২৩তম দিন)। শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদরত যুবকদের প্রতি যে নৃশংস আচরণ করা হচ্ছে তা দেখে, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, যতক্ষণ না যুব নেতাদের সংসদ ভবনে সাংসদদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে অথবা আমাকে এখানে হাসপাতালে তাঁদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ আমি আমার অনশন চালিয়ে যাব।' ফলত, সিজেপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাক্ষাতের পরও সোনাম ওয়াংচুক তাঁর অনশনে অনড় থাকছেন বলে জানিয়েছেন। এদিকে, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সহ একগুচ্ছ দাবিতে রাস্তায় নামের প্রতিবাদীরা। প্রতিবাদীদের সঙ্গে অংশ নেন রাজনৈনতিক নেত্রী সপার ডিম্পল যাদব, অভিনেত্রী শাবানা আজমিরা। এদিকে, প্রতিবাদের ঝাঁঝ তীব্র হতেই পাল্টা পুলিশও পদক্ষেপ করে। যার জেরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তারি হয় দিল্লিতে। এদিকে, জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে টানা ৩.৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই বৈঠক এই পরিস্থিতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, সোনাম ওয়াংচুক তাঁর সোমবারের সদ্য দেওয়া বার্তায় বলেছেন, ‘আশা করি, তার আগেই সরকার শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহিতার বিষয়টি নিশ্চিত করবে। উসকানি সত্ত্বেও তরুণরা যেভাবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রেখেছে, তা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। তাই আমি সরকার ও পুলিশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি,আজ বা আগামীকাল শিক্ষার্থীদের তাঁদের অভিযোগ সংসদে তুলে ধরার সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমেই যেন এই সমস্যার সমাধান করা হয়।’ তাঁর আশা বিক্ষোভকারীরা ‘আজকের মতোই আগামীকালও একই ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেবেন।’
{{/usCountry}}এদিকে, সোনাম ওয়াংচুক তাঁর সোমবারের সদ্য দেওয়া বার্তায় বলেছেন, ‘আশা করি, তার আগেই সরকার শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহিতার বিষয়টি নিশ্চিত করবে। উসকানি সত্ত্বেও তরুণরা যেভাবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রেখেছে, তা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। তাই আমি সরকার ও পুলিশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি,আজ বা আগামীকাল শিক্ষার্থীদের তাঁদের অভিযোগ সংসদে তুলে ধরার সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমেই যেন এই সমস্যার সমাধান করা হয়।’ তাঁর আশা বিক্ষোভকারীরা ‘আজকের মতোই আগামীকালও একই ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেবেন।’
{{/usCountry}}