...
...
Next Story

Sonia Gandhi: 'আড়ালে গণতন্ত্র...,' মহিলা সংরক্ষণ বিলের নেপথ্যে 'ডিলিমিটেশন'? বিস্ফোরক সনিয়া

Sonia Gandhi: সনিয়া গান্ধীর কথায়, অধিবেশন ডাকা হলেও সাংসদদের এখনও জানানো হয়নি, ঠিক কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে এই অধিবেশনে। তাঁর আশঙ্কা, আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে কোনও প্রস্তাব পেশ হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে কাজে লাগিয়ে সেই প্রস্তাব পাস করিয়ে নেওয়ার ছক কষছে কেন্দ্রীয় সরকার।

Published on: Apr 13, 2026, 20:31:00 IST
Advertisement

Sonia Gandhi: পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে জোরকদমে চলছে নির্বাচনী প্রচার। তারমধ্যেই মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস করাতে বিশেষ অধিবেশন ডেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের এহেন আচরণকে তুলোধোনা করলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। তাঁর মতে, এই নতুন বিলের আড়ালে আসলে গণতন্ত্রকে হত্যার চেষ্টা চলছে। আঘাত আসতে চলেছে ভারতীয় সংবিধানের উপর। তাঁর অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রকৃত উদ্দেশ্য এখন জাতিভিত্তিক জনগণনা আরও বিলম্বিত করা এবং তা বিপথে চালিত করা।

বিস্ফোরক সনিয়া গান্ধী (PTI)
বিস্ফোরক সনিয়া গান্ধী (PTI)

চলতি সপ্তাহের ১৬, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। ২০২৩ সালে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বিল পাস হয়েছিল সংসদে। বিলে উল্লেখিত ছিল, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এখন এই বিলে সংশোধনী আনতে চাইছে কেন্দ্র। ২০২৩ সালে পাস হওয়া বিলে উল্লেখ ছিল, জনগণনার পরে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তারপর ওই আসনের ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হবে মহিলাদের জন্য। কিন্তু এখন কেন্দ্র চাইছে, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। এই সংশোধনী নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন সনিয়া গান্ধী।

সনিয়া গান্ধীর বার্তা

'দ্য হিন্দু' পত্রিকায় প্রকাশিত সম্পাদকীয়তে কংগ্রেস নেত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, '২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। সেটাকে ইচ্ছাকৃতভাবে পিছিয়ে চলেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। অতীতে জনগণনার ভিত্তিতেই আসন পুনর্বিন্যাস হয়ে এসেছে। কিন্তু মোদী সরকার চাইছে, জনগণনার আগেই আসন পুনর্বিন্যাস হোক। জাতিগত গণনার কোনও প্রভাব যেন আসন পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে না পড়ে, সেটা নিশ্চিত করতে আদমসুমারির রিপোর্ট প্রকাশ আরও পিছিয়ে দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।' সনিয়া গান্ধীর আশঙ্কা, এইভাবে আসন পুনর্বিন্যাস হলে বহু রাজ্যের গুরুত্ব হ্রাস পেতে পারে। বিল পাস করাতে কেন্দ্রের 'হুড়োহুড়ি' নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী। সম্পাদকীয়তে তিনি লিখেছেন, 'কংগ্রেস চেয়েছিল ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন থেকেই কার্যকর হোক মহিলা সংরক্ষণ। সেটা কেন্দ্র হতে দেয়নি। যখন দুই রাজ্যে জোরকদমে ভোটের কার্যাবলি চলছে, সেই সময়ে কেন তাড়াহুড়ো করে বিল পাশ করাতে চাইছে কেন্দ্র? কয়েকদিন পরে বাদল অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করা গেল না কেন?'

‘ডিলিমিটেশন’-এর ব্যাখ্যায় সনিয়া গান্ধী অভিযোগ করেছেন, ‘এই প্রক্রিয়ায় একাধিক ত্রুটি রয়েছে। এটি দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। কংগ্রেস নেত্রীর আশঙ্কা, জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হলে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি তুলনামূলকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ তারা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। ফলে লোকসভায় তাদের প্রতিনিধিত্ব কমে যেতে পারে, যা গণতান্ত্রিক ভারসাম্যের জন্য উদ্বেগজনক।’ তাঁর মতে, ‘নারী সংরক্ষণ বিলকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং প্রকৃত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের চেয়ে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe