...
...
Next Story

Kerala: ভোটার নাকি বিধায়কদের সমর্থন? কেরলের মসনদে কে? তিন নেতার নাম ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

Kerala: কংগ্রেস সূত্রেই জানা যাচ্ছে, কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে অনেক এগিয়ে রয়েছেন কে সি বেণুগোপাল। তিনি রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ নেতা বলেই পরিচিত।

Published on: May 09, 2026 11:56 PM IST
Advertisement

Kerala: দীর্ঘ দশ বছর পর ফের ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-এর হাত ধরে কেরলে ক্ষমতায় ফিরেছে কংগ্রেস শিবির। তবে এই জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এখন সবার নজর কেরলের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন, সেই লড়াইয়ের দিকে। উঠে এসেছে তিন দাবিদারের নাম। তাঁরা হলেন- কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি বেণুগোপাল, বিদায়ী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ভি ডি সতীশন এবং প্রবীণ নেতা রমেশ চেন্নিথালা। দলীয় সূত্রে খবর, এই নিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যেও মতভেদ রয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন প্রক্রিয়াকে দুজন প্রার্থীর ক্ষেত্রে 'অভ্যন্তরীণ সমর্থন' এবং 'জনমত সমর্থন'-এর মধ্যে দোটানা হিসেবে দেখা হচ্ছে দলের অন্দরে।

কেরলের মসনদে কে? (সৌজন্যে টুইটার)
কেরলের মসনদে কে? (সৌজন্যে টুইটার)

সূত্রের খবর, বিদায়ী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ভি ডি সতীশন, রমেশ চেন্নিথালা এবং কে সি বেণুগোপাল ছাড়াও রাজ্য সভাপতি সানি জোসেফকে নিয়েও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তাঁরা আরও জানান, কেরল সরকারের প্রধান কে হবেন, সে বিষয়ে রবিবারের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কংগ্রেস সূত্রে খবর, নব-নির্বাচিত বিধায়ক-সহ রাজ্যের দলীয় নেতা, সাধারণ মানুষ ও জোটসঙ্গীদের সঙ্গে কথা বলার পর দিল্লি ফিরেছেন পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে থাকা দুই নেতা অজয় মাকেন ও মুকুল ওয়াসনিক। তাঁরা রিপোর্ট পেশ করেছেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের কাছে। অন্যদিকে, কেরলের বর্ষীয়ান কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর খাড়গের সঙ্গে দেখা করে এই বিষয়ের পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও তাঁর মতামত জানিয়েছেন।

কংগ্রেস সূত্রেই জানা যাচ্ছে, কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে অনেক এগিয়ে রয়েছেন বেণুগোপাল। তিনি রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ নেতা বলেই পরিচিত। নির্বাচিত বিধায়কদের মধ্যে সংখ্যগরিষ্ঠের সমর্থন রাহুল ঘনিষ্ঠ বেণুগোপালের পাশেই রয়েছে বলে খবর। তবে সূত্র জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কংগ্রেসকে নেতাদের বিষয়ে 'জনমত' বিবেচনা করতে হবে। কারণ, জনগণের মধ্যে থেকে সাধারণ যে মতামত উঠে আসছে, তাতে এগিয়ে রয়েছেন সতীশন। গত পাঁচ বছর তিনি বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১৬ এবং ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরও কংগ্রেস সংগঠনকে ধরে রাখা এবং শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বেই গত লোকসভা নির্বাচনে কেরলে ২০টির মধ্যে ১৮টি আসনে জয় পায় ইউডিএফ। পাশাপাশি, পুরসভা নির্বাচন এবং উপনির্বাচনেও ভালো ফল করেছিল জোট। সংগঠন মজবুত করার পাশাপাশি এলডিএফ সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সরব ছিলেন সতীশন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe