...
...
Next Story

Mosquito breeding detection: মশা মারতে কামান নয়, আসছে ড্রোন ও এআই! স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগান্তকারী আবিষ্কার

Dengue prevention 2026: মজা করে বলা হয়, মশা মারতে কামান দাগা। এবার কামান না হলেও ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে সেউ মশা নিধনে। সাহায্য নেওয়া হচ্ছে AI-এরও। কীভাবে মশা বিনাশ করা হবে? জেনে নিন।

Published on: Apr 08, 2026 05:32 PM IST
Advertisement

Mosquito breeding site detection technology: বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ডেঙ্গু, জিকা এবং চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এই বিপদ মোকাবিলায় এবার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এক অভিনব প্রযুক্তি নিয়ে এসেছেন। তারা ড্রোন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে মশার প্রজনন ক্ষেত্রগুলো খুঁজে বের করার একটি সফল পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।

প্রযুক্তির প্রয়োগ ও কার্যকারিতা

মশা মারতে কামান নয়, এবার আসছে ড্রোন ও এআই!
মশা মারতে কামান নয়, এবার আসছে ড্রোন ও এআই!

সাধারণত মশার প্রজনন ক্ষেত্র শনাক্ত করতে স্বাস্থ্যকর্মীরা পায়ে হেঁটে বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেন। কিন্তু ঝোপঝাড়ের আড়ালে বা বাড়ির ছাদে পড়ে থাকা টায়ার বা পাত্র মানুষের চোখে অনেক সময় এড়িয়ে যায়। স্ট্যানফোর্ড গবেষকরা ইন্দোনেশিয়ার মাকাসার (Makassar) শহরে তাদের এই ড্রোন প্রযুক্তি পরীক্ষা করেছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেখানে মানুষ অনেক প্রজনন ক্ষেত্র খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়, সেখানে ড্রোন এবং উন্নত এআই মডেল (U-Net++) প্রায় দ্বিগুণ নিখুঁতভাবে পরিত্যক্ত টায়ার এবং জমা জল শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এমনকি ছায়া বা ঘন লতাপাতার নিচে লুকিয়ে থাকা পাত্রগুলোও এই প্রযুক্তির চোখ এড়াতে পারেনি।

কেন এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ?

মশাবাহিত রোগের জন্য কোনো নির্দিষ্ট কার্যকরী চিকিৎসা বা সর্বজনীন ভ্যাকসিন না থাকায়, প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করাই হলো প্রতিরোধের প্রধান উপায়। স্ট্যানফোর্ড মেডিসিনের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ জোয়েল রোসার বলেন, "আমরা এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে প্রযুক্তির সাহায্যে পরিবেশ ও মানুষের মিথস্ক্রিয়াকে নতুনভাবে বোঝার সুযোগ তৈরি হয়েছে।"

বিবর্তিত হচ্ছে মশার প্রজনন কৌশল

গবেষকরা কেবল টায়ার শনাক্তকরণেই থেমে নেই। তারা এখন মাল্টিস্পেক্ট্রাল ইমেজিং (Multispectral Imagery) ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন, যা আবর্জনার ধরন দেখে বুঝতে পারবে কোন জায়গাটি মশার জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এই প্রযুক্তিটি কেবল ইন্দোনেশিয়ায় নয়, বরং আমেরিকা ও ইউরোপসহ সারা বিশ্বের প্রেক্ষাপটে ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রকৃতির খামখেয়ালি পরিবর্তনের সাথে তাল মেলাতে মানুষের উদ্ভাবনী শক্তিই এখন প্রধান ভরসা। ড্রোন এবং এআই-এর এই মেলবন্ধন জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। এর ফলে ভবিষ্যতে হয়তো আমরা মশাবাহিত মহামারিগুলো ছড়িয়ে পড়ার আগেই রুখে দিতে সক্ষম হবো।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe