...
...
Next Story

বকেয়া ডিএ-র ৬৫% দেওয়া হয়েছে! শীর্ষ আদালতে জানাল রাজ্য, সরকারি কর্মীদের...

West Bengal DA case: মঙ্গলবার সরকারি কর্মীদের একাংশের প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবী করুণা নন্দী এবং ফিরদৌস শামিম আদালতে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, বাস্তবে বহু সরকারি কর্মী এখনও ওই প্রাপ্য অর্থ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

Published on: Aug 18, 2026, 15:39:42 IST
Advertisement

West Bengal DA case: রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘভাতা (DA)-র ৬৫ শতাংশ ইতিমধ্যেই মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এমনটাই দাবি করল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন এই তথ্য পেশ করা হয়। তবে অন্যদিকে, রাজ্যের সরকারি কর্মীদের একটি অংশের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে এখনও বহু কর্মী বকেয়া ডিএ-র টাকা হাতে পাননি। বুধবার ফের মামলাটি শুনবে আদালত।

সুপ্রিম কোর্ট (PTI)
সুপ্রিম কোর্ট (PTI)

এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি ছিল। রাজ্য সরকারের পক্ষে এদিন এজলাসে সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। শীর্ষ আদালতে তিনি জানান, বকেয়া ডিএ-র ৬৫ শতাংশ ইতিমধ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং বাকি অংশ পরিশোধের প্রক্রিয়াও বর্তমানে জারি রয়েছে। রাজ্যের হিসাব অনুযায়ী, এই বাবদ এখনও পর্যন্ত ৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকারও বেশি দেওয়া হয়ে গিয়েছে।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার সরকারি কর্মীদের একাংশের প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবী করুণা নন্দী এবং ফিরদৌস শামিম আদালতে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, বাস্তবে বহু সরকারি কর্মী এখনও ওই প্রাপ্য অর্থ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁদের সওয়াল, আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশ অনুযায়ী সমস্ত বঞ্চিত সরকারি কর্মীকে বকেয়া ডিএ প্রদান করার কথা থাকলেও আদতে সকলে সেই অর্থ পাননি। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পরে সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, যে কর্মীরা বকেয়া ডিএ পাননি বলে দাবি করা হচ্ছে, তাঁদের প্রতিনিধিদের নাম আদালতের কাছে জমা করা হোক। মামলাকারী সরকারি কর্মীদের সেই তথ্য আদালতের কাছে জানাতে বলা হয়। বুধবার ফের এই মামলা শুনানির জন্য উঠবে সুপ্রিম কোর্টে। তার পরে ওই সরকারি কর্মীদের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে আদালত। ফলে আগামী দিনে এই মামলার আইনি প্রক্রিয়ায় আর কী উঠে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

পশ্চিমবঙ্গে ডিএ সংক্রান্ত আইনি জট দীর্ঘদিনের। শীর্ষ আদালত গঠিত মনিটরিং কমিটি ইতিমধ্যে ডিএ দেওয়ার জন্য সরকারকে একটি সময় বেঁধে দিয়েছে। কমিটি বলেছে, যাঁদের ই-সার্ভিস বুক ইতিমধ্যে স্ক্যান করে আপলোড হয়ে গিয়েছে, তাঁদের ২০০৮-২০১৫ সালের ডিএ-র প্রথম কিস্তি মিটিয়ে দিতে হবে। রাজ্যও তাদের জানিয়েছে, ৬৪,৭৫৯ জনের ই-সার্ভিস বুক স্ক্যান করে আপলোড করা হয়েছে। এই সরকারি কর্মীদের প্রথম কিস্তির ডিএ আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মিটিয়ে দিতে বলেছে মনিটরিং কমিটি।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe