নেপালের হড়পা বানের বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ১৬৬ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। এদিকে, সেই বিপর্যয় নিখোঁজ হওয়া ২৭৫ জনকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুক্রবারই এই তথ্য তুলে ধরেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। এদিকে, তারই মাঝে নেপালের ধারাচুলায় ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এই ভূমিধসের জেরে নতুন করে বানের আশঙ্কায় রয়েছে নেপাল।

নেপালের ধারচুলার আপি হিমাল পুরসভার অন্তর্গত এলাকায় সদ্য ধসের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক ভিডিয়োতে সেই ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়েছে। ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, মুড়িমুড়কির মতো করে নুড়ি পাথর ধসে পড়ছে পাহাড়ি উপত্যকার গা বেয়ে। এদিকে, সেই সমস্ত নুড়ি পাথর জমে, চাউলানি নদীর একাংশকে রুদ্ধ করে দিয়েছে। তার ফলে নতুন করে নেপালে বানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধসের ধ্বংসাবশেষ পড়ে নদীটির স্বাভাবিক গতিপথ রুদ্ধ হয়েছে। ধারচুলার জেলা প্রশাসন সতর্ক করেছে যে, আরও ভূমিধস হলে নদীটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যার ফলে হঠাৎ বাঁধ ভেঙে নিচের দিকে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের অবহিত করতে এবং জরুরি পরিস্থিতি দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি হিসেবে নিরাপত্তা কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে।
আর্মড পুলিশ ফোর্স জানিয়েছে যে, চাউলানি নদী বর্তমানে স্বাভাবিক মাত্রায় প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য এবং প্রয়োজনে নিকটবর্তী জনবসতিকে সতর্ক করার লক্ষ্যে বালাঞ্চ-এ অবস্থিত নেপাল চামেলিয়া জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিরাপত্তা ঘাঁটির সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
নেপালের মাছ ঘিরে সতর্কতা বিহারে-
{{/usCountry}}আর্মড পুলিশ ফোর্স জানিয়েছে যে, চাউলানি নদী বর্তমানে স্বাভাবিক মাত্রায় প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য এবং প্রয়োজনে নিকটবর্তী জনবসতিকে সতর্ক করার লক্ষ্যে বালাঞ্চ-এ অবস্থিত নেপাল চামেলিয়া জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিরাপত্তা ঘাঁটির সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
নেপালের মাছ ঘিরে সতর্কতা বিহারে-
{{/usCountry}}নেপালের বানের জেরে নদীগুলির জলস্তর বেড়েছে। নেপাল থেকে আসা বহু নদীর জলের সঙ্গেই সেদেশ থেকে ভেসে আসছে বহু মাছও। নেপাল থেকে নদীতে ভেসে আসা মাছ নিয়ে বিহারে প্রশাসন সতর্কতা জারি করেছে। নেপালের ত্রিশূলী নদীর প্লাবিত জল গণ্ডক এবং কোশী নদীর মাধ্যমে হু হু করে ঢুকছে ভারতের বিহারে। দেখা যাচ্ছে, সেই নদীগুলিতে কিছু অজানা, অচেনা প্রজাতির মাছ ভেসে যাচ্ছে। বিহার সরকার এক জরুরি নির্দেশিকা জারি করে সাধারণ মানুষকে বন্যায় ভেসে আসা এই সমস্ত মাছ, নদী থেকে ধরতে, খেতে ও বিক্রি করতে নিষেধ করেছে।