...
...
Next Story

North Korea Nuclear Test: ১৩৯৯ টি ভূমিকম্পের নেপথ্য কারণ উ.কোরিয়ার নিউক্লিয়ার টেস্ট? বিস্ফোরক দাবি গবেষণায়

ভূমিকম্প নিয়ে উঠে এল গবেষণার বিস্ফোরক দাবি।

Published on: Sep 19, 2026, 07:21:57 IST
Advertisement

বিশ্ব জুড়ে গত কয়েক বছরে বিভিন্ন জায়গায় বিধ্বংসী ভূমিকম্প দেখা গিয়েছে। এরই মাঝে উঠে এল এক নয়া গবেষণা। মনে করা হচ্ছে, কিম জং উনের দেশ উত্তর কোরিয়ার পরমাণবিক পরীক্ষা (নিউক্লিয়ার টেস্ট)র জেরে ভূমিকম্পের পরিমাণ বেড়েছে, তার পরমাণবিক পরীক্ষার স্থলের আশপাশে। শেষবার এই পরীক্ষা ২০১৭ সালে হয়।

উ.কোরিয়ার নিউক্লিয়ার টেস্ট ১৩৯৯ টি ভূমিকম্পের নেপথ্য কারণ! বিস্ফোরক দাবি গবেষণায়
উ.কোরিয়ার নিউক্লিয়ার টেস্ট ১৩৯৯ টি ভূমিকম্পের নেপথ্য কারণ! বিস্ফোরক দাবি গবেষণায়

মাউন্ট মানতাপ ও তার আশপাশের এলাকা গত ২০০০ বছর ধরে ছিল শান্ত।সেরকমভাবে কোনও ভূমিকম্প দেখা যায়নি। তবে গবেষকরা ২০০৮ থেকে ২০২৫ সালের কিছু তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। দেখা গিয়েছে, এর মাঝে ১৩৯৯টি ভূমিকম্প হয়েছে। এদিকে, তথ্য বলছে, ২০০৬ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া ভূগর্ভে ৬ টি পরমাণবিক পরীক্ষা করে। গবেষণায় উঠে আসা তথ্য নিয়ে বেশ কিছু জল্পনা রয়েছে, কারণ পারমাণবিক বিস্ফোরণের সাথে সম্পর্কিত ভূমিকম্পগুলো সাধারণত পরীক্ষার পর বছরের পর বছর ধরে বাড়তে থাকে না। এলাকাটিতে প্রথম ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয় ২০১৩ সালে, উত্তর কোরিয়ার তৃতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার পর। কিন্তু পরবর্তী বছরগুলোতে ভূমিকম্প খুব কমই হয়েছিল। ২০১৭ সালে দেশটি তার ষষ্ঠ এবং বৃহত্তম পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পর পরিস্থিতি বদলে যায়। গবেষণাটি বলেছে, ভূকম্পনশীলতা,যা ভূমিকম্পের পৌনঃপুনিকতা ও তীব্রতাকে বোঝায়,২০১৭ সাল পর্যন্ত বিরল ছিল, যখন উত্তর কোরিয়ার ষষ্ঠ এবং বৃহত্তম বিস্ফোরণের পর এর কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

গবেষণা বলছে, ভূমিকম্পের পরিমাণে বৃদ্ধির মানে এই দাঁড়াতে পারে, যে, মাউন্ট মানতাপের নিচের মাটি ২০১৭ সালের পারমাণবিক পরীক্ষার পর থেকে আগের অবস্থায় আর ফিরে আসেনি। অধ্যাপক কিমের দাবি, এলাকার ভূমিরূপে শেষ দুটি চ্যুতি, ওই পারমাণবিক পরীক্ষার পরই হয়েছে। বিস্ফোরণের ফলে পাহাড়ের অভ্যন্তরের পুরোনো, সুপ্ত ফাটলগুলো পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। উপরন্তু, বিস্ফোরণের ফলে শিলায় সৃষ্ট নতুন ফাটলগুলো জলে ভরে গিয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks