Success Story: পরিবার চেয়েছিল ডাক্তার হোক, ২৫ বছর বয়সেই ৫ কোটি টাকার কোম্পানির মালিক সেই ছেলে
Success Story: পরিবার চেয়েছিল যে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিট দিয়ে ডাক্তার হোক। তবে তিনি সেই পথে হাঁটেননি। বরং অন্য পথ বেছে নেন। সেই রেশ ধরে মাত্র ২৫ বছর বয়সেই ৫ কোটি টাকার কোম্পানির মালিক হলেন।
Success Story: পরিবার চেয়েছিল যে ছেলে ডাক্তার হোক। কিন্তু তাঁর স্বপ্ন ছিল অন্য। সেই ছেলে জায়েদ খানই মাত্র ২৫ বছরেই পাঁচ কোটি টাকার কোম্পানির মালিক হয়েছেন। জায়েদ মূলত ‘জেডিটাল মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড’-র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। সম্প্রতি 'দ্য করোড় ক্লাব' নামক একটি পডকাস্টে নিজের এই অভাবনীয় সাফল্য, স্ট্রাগল এবং সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার নানা অজানা গল্প শেয়ার করেছেন তিনি।
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে ফ্রিল্যান্সিং কাজ
জায়েদ খান। (ফাইল ছবি)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
জায়েদের শৈশব কেটেছে মধ্যবিত্ত পরিবারে। তাঁর পরিবার চেয়েছিল যে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিট দিয়ে জায়েদ যেন ডাক্তার হন। কিন্তু জায়েদের স্বপ্ন ও আগ্রহের জায়গা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রথাগত ছকে নিজেকে বাঁধতে চাননি। পরিবারের অগোচরেই ডিজিটাল দুনিয়ায় পা রাখেন এবং বিভিন্ন ইউটিউব কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা শুরু করেন।
জায়েদের তরুণ জীবনের প্রথম বড় সাফল্য আসে যখন তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার এক প্রথম সারির সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের জন্য একটি ফ্রিল্যান্সিং অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করেন। এই একটিমাত্র প্রজেক্ট থেকেই তাঁর উপার্জন হয় ১.২৪ লাখ টাকা। এই আয় কেবল তাঁর আর্থিক সংস্থান করেনি, বরং নিজের দক্ষতার ওপর আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
তারপর জায়েদ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারেন যে ডিজিটাল মিডিয়া ও কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল। যিনি সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করেন। সেইসময় যা শিখেছিলেন, সেটার কাজে লাগাতে থাকেন। জায়েদের কঠোর পরিশ্রম, কৌশলগত দূরদর্শিতা ও কাজের প্রতি নিখুঁত একাগ্রতা খুব দ্রুতই ইতিবাচক ফল দিতে শুরু করে। ২০২৩ সালে যখন তাঁর বয়স মাত্র ২২ বছর, তখনই ডিজিটাল মিডিয়া ব্যবসার মাধ্যমে প্রথম ১ কোটি টাকার রেভিনিউ মাইলফলক অর্জন করেন। এত অল্প বয়সে এই বিপুল আর্থিক সাফল্য অর্জনের পরও জায়েদ থেমে থাকেননি।
তিনি অনুভব করেন যে ব্যবসাকে আরও বড় মাপের এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে তাঁর শিক্ষাগত জ্ঞান ও উন্নত ব্যবসায়িক দূরদর্শিতার ঘাটতি পূরণ করা প্রয়োজন। সেই উদ্দেশ্যে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আইআইএম বেঙ্গালুরুর এমবিএ কোর্স ভরতি হন। একদিকে ভারতের শীর্ষ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের কঠিন পাঠ্যক্রম সামলানো এবং অন্যদিকে নিজের দ্রুত বর্ধনশীল ব্যবসার পরিচালনা- দুটোই তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে করে যাচ্ছেন।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।
Home/News/Success Story: পরিবার চেয়েছিল ডাক্তার হোক, ২৫ বছর বয়সেই ৫ কোটি টাকার কোম্পানির মালিক সেই ছেলে
{{^htLoading}}
Advertisement
{{/htLoading}}
SHARE THIS ARTICLE ON
{{#usCountry}}{{/usCountry}}
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe