Success Story: মাফিয়াদের 'ত্রাস' SDM শিবানী! প্রথম অ্যাটেম্পটেই PSC-তে বাজিমাত, রহস্য ঠিক কী?
Success Story: মাফিয়াদের 'ত্রাস' সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (SDM) শিবানী গর্গ।
Success Story: সঠিক লক্ষ্য, কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে প্রথম প্রচেষ্টাতেই যে দেশের অন্যতম কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করা যায়, তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন মধ্যপ্রদেশের অফিসার শিবানী গর্গ। কোনও বড় কোচিং সেন্টারের গাইডেন্স ছাড়াই সম্পূর্ণ সেলফ স্টাডির উপরে ভরসা রেখে প্রথম অ্যাটেম্পটে মধ্যপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (MPPSC) পরীক্ষা পাশ করেন এবং রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষপদ সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট বা এসডিএম হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।

জমি মাফিয়া ও বেআইনি কারবারিদের ত্রাস হলেন শিবানী গর্গ
কিন্তু শিবানীর গল্প শুধু একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা জয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; প্রশাসনিক চেয়ারে বসার পর তাঁর ভূমিকা এবং 'জিরো টলারেন্স' নীতি সাধারণ মানুষের কাছে এক অনন্য পরিচিতি এনে দিয়েছে। জমি মাফিয়া ও বেআইনি কারবারিদের কাছে তিনি এক ত্রাসের নাম হয়ে উঠেছেন।
২০১৫ সালে স্নাতক, প্রথম অ্যাটেম্পটেই বাজিমাত শিবানীর
শিবানীর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশের এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে। পরিবারে শিক্ষার পরিবেশ ও অভিভাবকের সমর্থন তাঁর পথচলাকে মসৃণ করতে সাহায্য করেছিল। ছোটোবেলা থেকেই মেধা ও পড়াশোনার প্রতি তাঁর দারুণ আগ্রহ ছিল। ২০১৫ সালে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর শিবানী সিভিল সার্ভিস পরীক্ষাকেই নিজের জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেন। কোন পথে হাঁটলে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব, তা নিয়ে তৈরি করেন এক সুনির্দিষ্ট কৌশল।
আরও পড়ুন: Success Story: বাবা দর্জি ছিলেন, মা দিনমজুর- টাকার অভাবে MBBS পড়তে না পারলেও IAS হলেন বিজয়
PSC সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় সাফল্যের রহস্য কী?
প্রতি বছর লাখ-লাখ পরীক্ষার্থী মধ্যপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের রাজ্য সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নেন। কোচিং ইনস্টিটিউটে না গিয়ে নিজের ওপর ও সঠিক স্ট্র্যাটেজির ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন তিনি। নিয়মিত পড়াশোনা, সিলেবাসের গভীর বিশ্লেষণ, সঠিক রিভিশন এবং সেলফ স্টাডির শক্তিতে ভর করে প্রথম অ্যাটেম্পটেই পরীক্ষা পাশ করেন। শিবানীর মতে, সিভিল সার্ভিসে সফল হতে গেলে পরীক্ষা ব্যবস্থার সঠিক অনুধাবন এবং নিয়মিত পরিশ্রমই আসল চাবিকাঠি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


