...
...
Next Story

Supreme Court: 'অনেক স্ত্রীই আজকাল...,' দাম্পত্য কলহ নিয়ে কড়া পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

Supreme Court: গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বি ভি নাগারত্ন ও বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চে ছিল এই মানহানি মামলার শুনানি। আবেদনকারী মহিলা অসম থেকে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে মামলা সরানোর আবেদন জানিয়েছিলেন।

Published on: Jul 21, 2026 01:26 PM IST
Advertisement

Supreme Court: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য সমস্যা হতেই পারে। তাই বলে স্বামী যে সংস্থায় কর্মরত, সেখানে কেন অভিযোগ জানাবেন স্ত্রী? এমনই প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। একটি মানহানির মামলা স্থানান্তরিত করতে চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এক মহিলা। সেই মামলাতেই উঠে আসে বিচারপতির এই বক্তব্য।

দাম্পত্য কলহ নিয়ে কড়া পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের (HT_PRINT)
দাম্পত্য কলহ নিয়ে কড়া পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের (HT_PRINT)

গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বি ভি নাগারত্ন ও বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চে ছিল এই মানহানি মামলার শুনানি। আবেদনকারী মহিলা অসম থেকে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে মামলা সরানোর আবেদন জানিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, স্বামীর সঙ্গে একাধিক আইনি লড়াই চলছে গাজিয়াবাদে। কিন্তু শুধুমাত্র মানহানির মামলা হয়েছে অসমে। স্বামী ভারতীয় বায়ুসেনায় কর্মরত। মানহানির মামলার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই মহিলা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে এয়ার ফোর্সকে চিঠি দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তাঁর স্বামী এয়ার ফোর্সের নিয়ম ভেঙে ব্যক্তিগতভাবে একটা ব্যবসা চালান।

মহিলার দাবি, তাঁর ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে এয়ার ফোর্সের হেলমেট চুরি করার অভিযোগ তুলেছিলেন তাঁর স্বামী। এর প্রত্যুত্তরেই এই অভিযোগ জানান তিনি। এই শুনানি চলাকালীন বিচারপতি বি ভি নাগারত্ন পর্যবেক্ষণে বলেন, 'অনেক স্ত্রীই আজকাল এমনটা করছেন। নিয়োগকারী সংস্থার কাছে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাচ্ছেন। সে ক্ষেত্রে স্বামীদের বরখাস্ত করা হতে পারে। ডিভোর্স তো আলাদা বিষয়, কিন্তু চাকরি যাওয়া তো জীবনধারণের প্রশ্ন।' এমনকী পরবর্তীকালে ভরনপোষণের দায়িত্ব নেওয়াও সমস্যা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিচারপতি। এরপর ওই মহিলার আইনজীবী জানান, বায়ুসেনা কর্তৃপক্ষের কাছে এই চিঠি তখনই পাঠানো হয়েছিল, যখন তাঁর স্বামী তাঁদের বিরুদ্ধে বায়ুসেনার সরঞ্জাম চুরির মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। নির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, স্ত্রী এবং তাঁর ভাই বায়ুসেনার একটি হেলমেট চুরি করেছেন। আইনজীবী আরও জানান, হেলমেটটি বরাদ্দের পর সেটি বর্তমানে কোথায় রয়েছে তা নিশ্চিত করার জন্যই ওই আবেদন করা হয়েছিল। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন যে, মানহানির মামলাটি স্বামী নিজে করেননি, করেছেন তাঁর সহকর্মী বন্ধু। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর শীর্ষ আদালত বিষয়টি মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে 'সুপ্রিম কোর্ট মিডিয়েশন সেন্টার'-এ পাঠায়। একই সঙ্গে বিচারপতি বি ভি নাগারত্ন ওই মহিলার আইনজীবীকে পরামর্শ দেন, যাতে তিনি তাঁর মক্কেলকে সমস্ত বিবাদ মিটিয়ে ফেলতে এবং অভিযোগগুলো প্রত্যাহার করার কথা বলেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe