Setback For Congress Leader: চিন্তা বাড়ল কংগ্রেস নেতা পবন খেরার। অসমে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার স্ত্রী রিণিকি ভুঁইয়া শর্মার সম্পর্কে মন্তব্যের কারণে দায়ের হওয়ার এফআইআর জন্য তেলাঙ্গানা হাইকোর্ট তাঁকে যে ট্রানজিট আগাম জামিন দিয়েছিল, তার উপরে সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। শুক্রবার শীর্ষ আদালতের বিচারপতি জে কে মহেশ্বরী এবং বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকরের বেঞ্চ সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে।

কংগ্রেস নেতা পবন খেরা-র মামলায় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সুপ্রিম কোর্ট একদিকে তাঁর ট্রানজিট আগাম জামিন বাড়ানোর আবেদন খারিজ করেছে, অন্যদিকে আগের অন্তর্বর্তী সুরক্ষাও স্থগিত রেখেছে—ফলে তাঁর আইনি সুরক্ষা এই মুহূর্তে কার্যত শূন্য। সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ না তোলায় তাঁকে গ্রেফতার করতে অসম পুলিশের আর বাধা রইল না। এদিন শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, পবন খেরাকে আগাম জামিনের যে কোনও আবেদন অবিলম্বে অসমের গুয়াহাটি হাইকোর্টে পেশ করতে হবে। আদালত এ-ও বলেছে, হাইকোর্ট যেন সুপ্রিম কোর্টের শুনানির দ্বারা প্রভাবিত না হয়। গুয়াহাটি হাইকোর্টকে একান্ত ভাবেই মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে আগাম জামিনের আর্জিটি বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। তবে ভ্রান্ত তথ্যের আধার কার্ড দেওয়ার জন্য খেরাকে ভর্ৎসনাও করেছে শীর্ষ আদালত।
আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রক্ষাকবচ চেয়ে পবন খেরার আর্জি সুপ্রিম কোর্টে খারিজ করার পরে কংগ্রেস নেতার আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি হতাশ হয়ে বলেন, ‘আমি (খেরা) কী একজন সন্ত্রাসবাদী?’ একই সঙ্গে সোমবার গুয়াহাটি হাইকোর্টে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শুনানি চলাকালীন সিংভি আদালতে বলেন, 'তেলাঙ্গানায় আবেদনটি অত্যন্ত তাড়াহুড়োর মধ্যে দাখিল করা হয়েছিল। শুনানির সময় বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হয় এবং সঠিক নথিপত্রটি দাখিল করা হয়। আমার স্ত্রী তেলাঙ্গানায় একজন বিধায়ক পদপ্রার্থী। তাঁর হলফনামাও সেদিনই দাখিল করা হয়েছিল। অথচ সেই বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। উল্টো নিজামুদ্দিনে (খেরার বাসভবনে) ১০০ জন পুলিশ সদস্যকে পাঠানো হল। এই দেশে সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদটি (ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) এখনও বহাল আছে। সলিসিটর জেনারেল আপনাদের জানাননি যে, সঠিক নথিপত্রটি ইতিমধ্যেই দাখিল করা হয়েছে। এসব কিছুই পূর্বধারণাপ্রসূত বা পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ।' তবে সুপ্রিম কোর্টের দুই সদস্যের বিচারপতির বেঞ্চ পবন খেরার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে কোনও আগ্রহ দেখায়নি। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, খেরা চাইলে সরাসরি অসমের উপযুক্ত আদালতে গিয়ে আগাম জামিনের আবেদন করতে পারেন এবং সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ সেই প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা হবে না।
বিতর্কের সূত্রপাত
বিতর্কের সূত্রপাত পবন খেরার করা এক মন্তব্য থেকে। একটি সাংবাদিক বৈঠক করে কংগ্রেসের জনসংযোগ দফতরের চেয়ারম্যান অভিযোগ তুলেছিলেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর নামে একাধিক পাসপোর্ট, বিদেশে সম্পত্তি এবং আর্থিক বিনিয়োগ রয়েছে, যা নির্বাচনী হলফনামায় প্রকাশ করা হয়নি। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা এবং গুয়াহাটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে এফআইআর দায়ের হয়। এরপরই পবন খেরা তেলাঙ্গানা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। গত ১০ এপ্রিল তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে এক সপ্তাহের ট্রানজিট জামিন মঞ্জুর করে তেলাঙ্গানার উচ্চ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় অসম সরকার। তাদের যুক্তি ছিল, অসমের আদালতে আবেদন না-করে তেলাঙ্গানায় আবেদনের কোনও যৌক্তিকতা ছিল না। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট তেলাঙ্গানা হাইকোর্টের আবেদনের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।
{{/usCountry}}বিতর্কের সূত্রপাত পবন খেরার করা এক মন্তব্য থেকে। একটি সাংবাদিক বৈঠক করে কংগ্রেসের জনসংযোগ দফতরের চেয়ারম্যান অভিযোগ তুলেছিলেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর নামে একাধিক পাসপোর্ট, বিদেশে সম্পত্তি এবং আর্থিক বিনিয়োগ রয়েছে, যা নির্বাচনী হলফনামায় প্রকাশ করা হয়নি। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা এবং গুয়াহাটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে এফআইআর দায়ের হয়। এরপরই পবন খেরা তেলাঙ্গানা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। গত ১০ এপ্রিল তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে এক সপ্তাহের ট্রানজিট জামিন মঞ্জুর করে তেলাঙ্গানার উচ্চ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় অসম সরকার। তাদের যুক্তি ছিল, অসমের আদালতে আবেদন না-করে তেলাঙ্গানায় আবেদনের কোনও যৌক্তিকতা ছিল না। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট তেলাঙ্গানা হাইকোর্টের আবেদনের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।
{{/usCountry}}