CJP protests: দেশে একের পর এক সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস (Paper Leak), আকাশছোঁয়া বেকারত্ব এবং শিক্ষা ব্যবস্থার চরম সংকটের প্রতিবাদে রাষ্ট্র ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জবাব চাইতে দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে জমা হয়েছিলেন হাজার হাজার ছাত্র-যুব। জুলাইয়ে 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP)-র বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার অভিযোগে এক কলেজ পড়ুয়াকে গ্রেটার নয়ডার একজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নোটিশ পাঠানোর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট।

সিজেপি বিক্ষোভের জেরে পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত এফআইআর আগেই বাতিল করে দেওয়া এবং ভবিষ্যতে কোনও কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে শীর্ষ আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একজন ম্যাজিস্ট্রেট এমন নোটিশ পাঠাতে পারেন, তা নিয়ে এদিন তীব্র উষ্মা প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত এদিন এজলাসে প্রশ্ন করেন, 'ম্যাজিস্ট্রেট এই নোটিশ ইস্যু করলেন কীভাবে? আমাদের নির্দেশ তো একেবারে স্পষ্ট ছিল যে দেশের কোনও প্রান্তেই কোনও পড়ুয়ার বিরুদ্ধে কোনও জবরদস্তিমূলক বা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। একজন ম্যাজিস্ট্রেটের এতটা দুঃসাহস হয় কীভাবে?'
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে থাকা তার অসাধারণ ও বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সিজেপি বিক্ষোভ সংক্রান্ত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে সমস্ত মামলা খারিজ করে দিয়েছিল। আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, ২০ থেকে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রুজু হওয়া কোনও এফআইআরের তদন্ত বা পদক্ষেপ এগিয়ে নেওয়া যাবে না এবং সমস্ত দিক থেকেই সেগুলিকে বন্ধ হিসেবে গণ্য করতে হবে। পাশাপাশি, এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনও পড়ুয়ার বিরুদ্ধে নতুন কোনো পদক্ষেপ না করারও কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
গ্রেটার নয়ডার ওই পড়ুয়ার বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনেন সিনিয়র আইনজীবী বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, গত ৪ সেপ্টেম্বর পড়ুয়াকে দেওয়া ওই নোটিশের বিষয়ে গৌতম বুদ্ধ নগরের জেলাশাসক (ডিএম) এবং সংশ্লিষ্ট একজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা তলব করবে আদালত। শীর্ষ আদালতকে জানানো হয়, গৌতম বুদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র অক্ষত ত্রিপাঠীকে গত ৪ সেপ্টেম্বর নোটিশটি পাঠানো হলেও পরদিনই তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ওই নোটিশে ত্রিপাঠীর বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী তথ্য ছড়ানো এবং যন্তর মন্তরে সিজেপি-র বিক্ষোভে যোগ দিতে পড়ুয়াদের প্ররোচিত করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। গোটা ঘটনাকে 'ভারতের ছাত্রসমাজের ওপর এক পরীক্ষা-নিরীক্ষা' হিসেবে বর্ণনা করে আইনজীবী ভট্টাচার্য আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
{{/usCountry}}গ্রেটার নয়ডার ওই পড়ুয়ার বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনেন সিনিয়র আইনজীবী বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, গত ৪ সেপ্টেম্বর পড়ুয়াকে দেওয়া ওই নোটিশের বিষয়ে গৌতম বুদ্ধ নগরের জেলাশাসক (ডিএম) এবং সংশ্লিষ্ট একজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা তলব করবে আদালত। শীর্ষ আদালতকে জানানো হয়, গৌতম বুদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র অক্ষত ত্রিপাঠীকে গত ৪ সেপ্টেম্বর নোটিশটি পাঠানো হলেও পরদিনই তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ওই নোটিশে ত্রিপাঠীর বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী তথ্য ছড়ানো এবং যন্তর মন্তরে সিজেপি-র বিক্ষোভে যোগ দিতে পড়ুয়াদের প্ররোচিত করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। গোটা ঘটনাকে 'ভারতের ছাত্রসমাজের ওপর এক পরীক্ষা-নিরীক্ষা' হিসেবে বর্ণনা করে আইনজীবী ভট্টাচার্য আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
{{/usCountry}}প্রধান বিচারপতি আইনজীবী ভট্টাচার্যের যুক্তির সঙ্গে সহমত পোষণ করেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের পদক্ষেপে তীব্র বিস্ময় প্রকাশ করেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, 'আমরা বিস্মিত যে কীভাবে একজন একজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নোটিশ জারি করতে পারেন, যখন আমাদের ১ সেপ্টেম্বরের আদেশে স্পষ্ট বলা ছিল যে বিক্ষোভে অংশগ্রহণের জন্য আমাদের যুবকদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।'