...
...
Next Story

Supreme Court on Abortion Law: ‘প্রয়োজনে আইন বদলান!’ কেন্দ্রকে ভৎসর্না, কিশোরীর গর্ভপাত নিয়ে বেনজির 'সুপ্রিম' নির্দেশ

Supreme Court on Abortion Law: শীর্ষ আদালতের দাবি, 'ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার কোনও সময়সীমা থাকা উচিত নয়। আইনকে গতিশীল ও সময়ের বিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।'

Published on: Apr 30, 2026 04:08 PM IST
Advertisement

Supreme Court on Abortion Law: ১৫ বছরের ধর্ষিতা কিশোরীর ৩১ সপ্তাহের গর্ভাবস্থার অবসান নিয়ে আদালতের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে সরকার যে সংশোধনী আবেদন করেছিল, তার তীব্র সমালোচনা করল সুপ্রিম কোর্ট। সরকারের কাছে আদালতের আহ্বান, নারীদের নিজেদের শরীরের উপরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে এটি যুগান্তকারী মুহূর্ত হতে পারে। ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের চেয়ে ওই কিশোরী ও তার পরিবারের ইচ্ছাকে সম্মান জানানো উচিত। স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কিত আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তাও জানানো হয়।

কিশোরীর গর্ভপাত নিয়ে বেনজির 'সুপ্রিম' নির্দেশ (HT_PRINT)
কিশোরীর গর্ভপাত নিয়ে বেনজির 'সুপ্রিম' নির্দেশ (HT_PRINT)

শীর্ষ আদালতের দাবি, 'ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার কোনও সময়সীমা থাকা উচিত নয়। আইনকে গতিশীল ও সময়ের বিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।' অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটিকে কার্যত তিরস্কার করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, ‘ধর্ষণের পরে বাচ্চাটার উপরে দিয়ে যা যা গেছে, তার ক্ষতিপূরণ কেউ দিতে পারবে না।' সরকারি আইনজীবীকে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘নাগরিকদের একটু তো সম্মান দিন ম্যাডাম।’ প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘(আদালতের পূর্ববর্তী গর্ভপাতের নির্দেশ) নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করার কোনও অধিকার নেই আপনার কাছে।' এরপরেই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকের ব্যক্তিগত মতামতকে সম্মান করি, সেটা আপনারও করা উচিত...।' শীর্ষ আদালত আরও বলেছে, মেয়েটির স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য ও ঝুঁকি অভিভাবকদের সামনে তুলে ধরার পরে যদি তাঁরা ভ্রূণটি রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তবে তাই হোক। কিন্তু যদি তাঁরা মনে করেন যে তাঁদের সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে রয়েছে, তবে সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও তাঁরাই নেবেন। সেখানে সংশোধনী দিয়ে জোর করা যাবে না।

গত সপ্তাহেই নাবালিকার গর্ভপাতে সায় দিয়েছিল আদালত। বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়া জানিয়েছিলেন, মেয়েটিকে সন্তান প্রসবে বাধ্য করা বেঁচে থাকার অধিকারের পরিপন্থী। প্রজননের স্বাধীনতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। মেয়েটি দু’দু’বার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার আছে তার। সেই সময়ও গর্ভপাতের বিরোধিতা করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তাঁর দাবি ছিল, বর্তমান অবস্থায় গর্ভপাত করালে তা মেয়েটি এবং ভ্রূণটির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ২৪ সপ্তাহ পর গর্ভপাত করানোর অনুমতি নেই বলেও আদালতে জানান তিনি। কিন্তু নির্যাতিতার আইনজীবীর যুক্তি ছিল, এই গর্ভাবস্থা মেয়েটির জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তার পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার জোগাড়। প্রত্যেকটি মুহূর্ত যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে মেয়েটি।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe