...
...
Next Story

ঋতুকালীন ছুটির আবেদন খারিজ, বড় পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

আবেদনকারী জানান, শীর্ষ আদালত যেন রাজ্যগুলিকে ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ।

Published on: Mar 13, 2026, 22:45:18 IST
Advertisement

মহিলাদের ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হলে তাঁদের কর্মসংস্থানে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে শুক্রবার মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি জানান, এমন আইন করা হলে নিয়োগকর্তারা মহিলাদের চাকরিতে নেবেন না।

ঋতুকালীন ছুটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের (HT_PRINT)
ঋতুকালীন ছুটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের (HT_PRINT)

এদিন সুপ্রিম কোর্টে ঋতুকালীন ছুটি সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছিল। আবেদনকারী জানান, শীর্ষ আদালত যেন রাজ্যগুলিকে ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ। আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী একটি পিটিশনের মাধ্যমে আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন, যেন রাজ্য সরকারগুলোকে ঋতুকালীন ছুটির নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে প্রধান বিচারপতি এ বিষয়টি তুলে ধরেন যে, এই পদক্ষেপগুলো মূলত স্বেচ্ছামূলক। তিনি জোর দিয়ে বলেন, 'যে মুহূর্তে আপনি এটিকে 'আইনত বাধ্যতামূলক' হিসেবে ঘোষণা করবেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই কেউ আর তাদের চাকরি দেবে না। বিচার বিভাগ কিংবা সরকারি চাকরিতেও কেউ তাদের নিয়োগ দেবে না... তাদের কর্মজীবন সেখানেই শেষ হয়ে যাবে। তখন তারা বলবে—'তোমরা বরং ঘরেই বসে থাকো।'

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, 'এর ফলে তারা মহিলাদের 'নীচু' বা 'হীন' হিসেবে গণ্য করবে (এবং বলবে) যে, ঋতুস্রাব এমন একটি বিষয় যা তাদের ক্ষেত্রে 'খারাপ' কিছু ঘটাচ্ছে।' শুক্রবার শুনানিতে কেরলের উদাহরণও তুলে ধরা হয়। সিনিয়র আইনজীবী এম আর শামশাদ জানান, ২০১৩ সালে কেরল সরকার রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রীদের ঋতুকালীন ছুটি চালু করেছিল। সেই সময়ে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এটিকে লিঙ্গসমতার দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছিলেন। শামশাদ আরও উল্লেখ করেন যে, বেশ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থাগুলোও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, এই ধরনের সিদ্ধান্ত স্বেচ্ছায় হলে আলাদা বিষয়, কিন্তু আইনি বাধ্যতামূলক করা হলে তার প্রভাব ভিন্ন হতে পারে। শুনানির সময়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সুবিধা দেওয়া অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এটিকে আইনি বাধ্যবাধকতা করলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাঁর কথায়,'এতে কর্মক্ষেত্রে এমন ধারণা তৈরি হতে পারে যে মহিলারা পুরুষদের তুলনায় কম সক্ষম। অনেক নিয়োগকর্তা তখন মহিলাদের নিয়োগই করতে চাইবেন না।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe