গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মহারাষ্ট্র এঅটিএস গ্রেফতার করেছে জঙ্গি সংগঠন জইশ এ মহম্মদের সঙ্গে সম্পর্কিত এক সন্দেহভাজন অপারেটিভকে। উল্লেখ্য, সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়ে ইতিমধ্যেই বহুবার রক্তাক্ত হয়েছে মুম্বই। ১৯৯৩ সালের ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ২০০৮ সালের মুম্বইতে জঙ্গি হামলার ঘটনার রক্তাক্ত ইতিহাস আজও ভোলেনি দেশ। এদিকে, সদ্য মুম্বইয়ের বুকে এক মেট্রো স্টেশন থেকে এই অপারেটিভের গ্রেফতারি বেশ চাঞ্চল্য় ছড়িয়েছে।
৩৩ বছর বয়সী মহম্মদ হাসান আবু সরমাদকে মুম্বইয়ের মাহিম মেট্রে স্টেশনের কাছে গ্রেফতার করেছে। মহারাষ্ট্র পুলিশের কালাচৌকি এলাকার এটিএস (অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড) এই অপারেশন চালিয়ে এই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে। জানা যাচ্ছে, মহম্মদ হাসান আবু সরমাদ মূলত, অ্যাপ নির্ভর বাইক পরিষেবা ব়্যাপিডো ড্রাইভার হিসাবে কর্মরত ছিল। এছাড়াও মুম্বইতে পারফিউম বিক্রি করত এই ব্যক্তি। জানা যাচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ব্যক্তি দেশ বিরোধী ও উগ্রপন্থা-ধর্মী বহু বার্তা ছড়িয়ে দিত। এমনই অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। প্রাথমিক তদন্ত বলছে, পাকিস্তানি গোয়েন্দা বা পিআইও-র সঙ্গে এই ব্যক্তির সরাসরি যোগ তৈরি হয়।
২০২৬ সালের জুন মাসের ১ তারিখে, জঙ্গি সংগঠন জইশ এ মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজাহারের এক উস্কানিমূলক বক্তব্যের অডিয়ো, এক টেলিগ্রাম গ্রুপে আপলোড করে এই মহম্মদ হাসান আবু সরমাদ। এটিএসের অভিযোগ, সারমাদ আখতার ‘ইবন-ই-কাসিম’ নামক পাকিস্তান-সমর্থিত একটি চরমপন্থী টেলিগ্রাম চ্যানেলের একজন সক্রিয় গ্রাহক ছিল। তদন্তকারীরা এও বলছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুম্বই সফরকালে নিরাপত্তা ত্রুটি সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনের বিষয়ে মহম্মদ হাসান আবু সরমাদ আখতারের করা একটি ইনস্টাগ্রাম মন্তব্যও খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযুক্তের মোবাইল ফোনে দেশবিরোধী উপাদান ছিল।
এটিএস এখন মহম্মদ হাসান আবু সারমাদ আখতারের কথিত নেটওয়ার্কের তদন্ত করছে এবং এই মামলার সাথে জড়িত থাকতে পারে এমন অন্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। এই অভিযোগগুলো চলমান তদন্তেরই অংশ।
{{/usCountry}}এটিএস এখন মহম্মদ হাসান আবু সারমাদ আখতারের কথিত নেটওয়ার্কের তদন্ত করছে এবং এই মামলার সাথে জড়িত থাকতে পারে এমন অন্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। এই অভিযোগগুলো চলমান তদন্তেরই অংশ।
{{/usCountry}}