Nashik TCS Case: দেশের নামী আইটি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস বা টিসিএস-এর নাসিক অফিসে জোর করে ধর্মান্তরণ এবং মহিলা কর্মীদের ওপর যৌন নির্যাতনের যে পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ উঠেছে, তাতে এবার নয়া মোড়। এবার এই মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত নিদা খানের সাসপেনশন লেটার প্রকাশ্যে এসেছে। ২৬ বছরের নিদা খান এই মামলায় বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর তদন্তের মূল কেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে টিসিএস-এর যে কর্মীরা তদন্তের আওতায় রয়েছে, তাঁদেরও চাকরি থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র হাতে এসেছে নিদা খানের সাসপেনশন লেটার।

জানা গেছে, অভিযুক্ত নিদা খান টিসিএস-এর সেলস টিমের অংশ ছিলেন এবং ডিসেম্বর ২০২১-এ বিপিও টিমে যোগ দিয়েছিলেন, এবং তার উপরে একাধিক স্তরের সিনিয়র স্টাফরা ছিলেন। ৯ এপ্রিলে তাঁর সাসপেনশন লেটারে বলা হয়েছে, 'আপনার বিরুদ্ধে একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানি অবগত হয়েছে এবং বর্তমানে আপনি বিচারবিভাগীয় বা পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে আপনি আপনার দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে কোম্পানি আপনাকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।' কোম্পানির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, টিসিএস নেটওয়ার্কে তাঁর প্রবেশাধিকার সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে এবং তাঁর কাছে থাকা সমস্ত কোম্পানির সম্পত্তি জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, তাঁকে কোনও অফিসে না যাওয়ার এবং মামলার বিষয়ে কোনও কর্মীর সঙ্গে আলোচনা না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে নাসিক টিসিএস কেন্দ্রে ভয়াবহ সব ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। মোট ৯টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে ৮ জন মহিলা কর্মী রয়েছেন। তাঁদের দাবি, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীরা তাঁদের দিনের পর দিন মানসিক এবং যৌন হেনস্থা করেছেন। এমনকি এইচআর বিভাগকে অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি। উল্টে এইচআর প্রধান তাঁদের মুখ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে ছয় পুরুষ কর্মী - দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার, রাজা মেমন, শাহরুখ কুরেশি, শফি শেখ, আসিফ আফতাব আনসারি এবং সংস্থার মহিলা এইচআর প্রধান অশ্বিনী চেইনানি। নাসিক কাণ্ডে অভিযুক্ত সমস্ত কর্মীদের ইতিমধ্যেই বরখাস্ত করা হয়েছে এবং পুলিশি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে টাটা গোষ্ঠী। টিসিএস কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সংস্থায় হেনস্থা বা জোরজবরদস্তির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে।
{{/usCountry}}২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে নাসিক টিসিএস কেন্দ্রে ভয়াবহ সব ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। মোট ৯টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে ৮ জন মহিলা কর্মী রয়েছেন। তাঁদের দাবি, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীরা তাঁদের দিনের পর দিন মানসিক এবং যৌন হেনস্থা করেছেন। এমনকি এইচআর বিভাগকে অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি। উল্টে এইচআর প্রধান তাঁদের মুখ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে ছয় পুরুষ কর্মী - দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার, রাজা মেমন, শাহরুখ কুরেশি, শফি শেখ, আসিফ আফতাব আনসারি এবং সংস্থার মহিলা এইচআর প্রধান অশ্বিনী চেইনানি। নাসিক কাণ্ডে অভিযুক্ত সমস্ত কর্মীদের ইতিমধ্যেই বরখাস্ত করা হয়েছে এবং পুলিশি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে টাটা গোষ্ঠী। টিসিএস কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সংস্থায় হেনস্থা বা জোরজবরদস্তির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে।
{{/usCountry}}পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলায় অভিযুক্ত সাতজনকে গ্রেফতার করা হলেও নিদা খান পলাতক। তবে নিদা খানের পরিবারের দাবি, তিনি বর্তমানে মুম্বইতে রয়েছেন এবং জীবনের প্রথম সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন। গ্রেফতারি এড়াতে নিদা ইতিমধ্যে নাসিক আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন। আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টিকেই আদালতে হাতিয়ার করতে চাইছেন নিদা, যাতে মানবিকতার খাতিরে তিনি জামিন পান।