বাংলাদেশে কিছুদিন আগেই সেদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছিলেন, বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘কিছু ভালো সিদ্ধান্তের পাশাপাশি এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যা আমাদের মতে এড়িয়ে যাওয়া যেত। তবে আমি বলব না যে সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।’ তিনি জানান, বাংলাদেশে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সংগীত শিক্ষা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জানান, সেদেশে গানের প্রশিক্ষকেরা একটি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঘুরে ঘুরে পাঠদান করবেন। এদিকে, বাংলাদেশের তারেক রহমান আমলে এহেন উদ্যোগকে ঘিরে ফুঁসছে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা।
এক বিবৃতিতে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, ‘…ঢালাওভাবে সংগীত শিক্ষার বিষয়টি আপামর ধর্মপ্রাণ মুসলিম অভিভাবকদের কাছে প্রধানত একটি ধর্মীয় ইস্যু। ফলে তাদের মতামত উপেক্ষা করে ক্লাসে গান-বাজনার শিক্ষা দিলে তা মুসলিম শিশু-কিশোরদের ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করবে।’ সংগঠনের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, ‘ধর্মনির্বিশেষে সব শিক্ষার্থীকে সংগীত শিক্ষা দেওয়াটাও যৌক্তিক নয়।’ হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ, এই শীর্ষক সংগঠনটির নেতাদের দাবি, মূলত ধর্মতাত্ত্বিক ইস্যু ও ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি জড়িত, যা তারেক সরকারের সংস্কৃতিমন্ত্রীকে বিবেচনা করতে হবে। সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, সঙ্গীত শিক্ষার জন্য বাংলাদেশে বিভিন্ন বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রয়েছে, কোনও অভিভাবক চাইলে তাঁর সন্তানকে সেখানে সঙ্গীত শেখাতে পারেন।, বলা হয়েছে, ’সঙ্গীত শিক্ষা প্রতিটি শিশু-কিশোরের জন্য আবশ্যক নয়।’
এর আগে, বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যেভাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে একইভাবে সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আয়োজনও করা হচ্ছে। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশের ঐক্যের বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতভেদ থাকবেই, কিন্তু মানুষ একই সমাজে সহাবস্থান করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
{{/usCountry}}এর আগে, বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যেভাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে একইভাবে সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আয়োজনও করা হচ্ছে। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশের ঐক্যের বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতভেদ থাকবেই, কিন্তু মানুষ একই সমাজে সহাবস্থান করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
{{/usCountry}}