কিছুদিন আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন পড়েছিলেন মক্কা প্যাক্ট সংক্রান্ত প্রশ্নের মুখে। সেই সময় তাঁর মন্তব্য ছিল, ‘বাঁচার আগে যদি মরার চিন্তা করেন তাহলে লাভ আছে, বলেন? এটা একটা অনন্য চুক্তি । এখানে ঝুঁকির কিছু নেই। এখন যদি বাঁচার আগে মরার চিন্তা করি তাহলে তো সমস্যা।’ এরপর পদ্মা দিয়ে গড়িয়েছে বহু জলরাশি। সেপ্টেম্বরে ব্রিকসের সময় দিল্লি আমন্ত্রণ জানালেও, তাতে সাড়া দিয়ে ভারত সফরে আসেননি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিজের প্রথম বিদেশ সফর হিসাবে তিনি চিনকে বেছে নিয়েছিলেন। এদিকে, ভারতে সেপ্টেম্বরে না আসলেও ট্রাম্পের দেশ আমেরিকায় গিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। জল্পনা ছিল, আমেরিকা ফেরত তারেক কি এরপর ভারতের সফরে আসবেন? এই জল্পনার মাঝেই এল নয়া রিপোর্ট।

তারেক সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির কিছুদিন আগেই গিয়েছিলেন সৌদি আরবের সফরে। যে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তান ও তুরস্ক, হাতে হাত রেখে স্বাক্ষর করেছে মক্কা প্যাক্টে। যে প্যাক্ট বা চুক্তি অনুযায়ী, এই তিন দেশের মধ্যে কোনও একটি দেশে কোনও বাইরের শক্তি হামলা চালালে তা তিনটি দেশে সমান হামলা চালানোর শামিল বলে মনে করা হবে। এদিকে, বেশ কিছু রিপোর্ট দাবি করেছে বাংলাদেশ এই মক্কা প্যাক্টে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করে ইঙ্গিত দিয়েছে তারেক সরকারের বাংলাদেশ। তবে ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত মক্কা প্যাক্ট ঘিরে তিন দেশের কিছুদিন আগেও এক তাবড় বৈঠক হলেও, তাতে বাংলাদেশের নাম শোনা যায়নি। উল্টে পাকিস্তান জানিয়েছে, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্প্রসারণের পরিকল্পনা এখন নেই। এই পরিস্থিতিতে সদ্য আমেরিকায় রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার ফাঁকে, মক্কা প্যাক্টের অন্যতম অংশীদার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর এবার বাংলাদেশের একাধিক মিডিয়ার রিপোর্ট বলছে, আগামী নভেম্বর মাসে তারেক রহমান সফর করবেন সৌদি আরব ও তুরস্কে। প্রসঙ্গত, তুরস্ক হল, পাকিস্তানের অন্যতম ঘনিষ্ঠ দেশ এবং মক্কা প্যাক্টের অংশীদার। সৌদি আরবও মক্কা প্যাক্টের অংশ। নভেম্বরের প্রথম দিকে তুরস্ক, দ্বিতীয়ার্ধে সৌদি আরব সফর হওয়ার কথা রয়েছে বলে খবর।
এদিকে, মক্কা প্যাক্ট অনুযায়ী তিন দেশের একটিতেও বহিরাগত হামলা হলে, তা তিন দেশে হামলা বলে বিবেচিত হবে বলে বার্তা রয়েছে। তবে সদ্য সৌদিতে হুথি হামলার পর মক্কা প্যাক্টের অপর দুই শরিক, পাকিস্তান ও তুরস্ককে এখনও কোনওভাবে ময়দানে পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। দুই দেশই যদিও তাদের সমর্থন সৌদির প্রতি জানিয়েছে। এদিকে, টিটিপি বা পাকিস্তানি তালিবান গোষ্ঠীর সঙ্গেও পাকিস্তানের সংঘাত জারি রয়েছে, যা নিয়ে মক্কা প্যাক্টের প্রেক্ষিতে তুরস্ক বা সৌদি সক্রিয় ভূমিকা পালনের কোনও বার্তা এখনও দেয়নি। এই অবস্থায়, মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশের অন্তর্ভূক্তির সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে চর্চাও জারি। সেই চর্চা আরও উস্কে দিচ্ছে তারেক রহমানের সৌদি, তুরস্কের সফর।
{{/usCountry}}এদিকে, মক্কা প্যাক্ট অনুযায়ী তিন দেশের একটিতেও বহিরাগত হামলা হলে, তা তিন দেশে হামলা বলে বিবেচিত হবে বলে বার্তা রয়েছে। তবে সদ্য সৌদিতে হুথি হামলার পর মক্কা প্যাক্টের অপর দুই শরিক, পাকিস্তান ও তুরস্ককে এখনও কোনওভাবে ময়দানে পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। দুই দেশই যদিও তাদের সমর্থন সৌদির প্রতি জানিয়েছে। এদিকে, টিটিপি বা পাকিস্তানি তালিবান গোষ্ঠীর সঙ্গেও পাকিস্তানের সংঘাত জারি রয়েছে, যা নিয়ে মক্কা প্যাক্টের প্রেক্ষিতে তুরস্ক বা সৌদি সক্রিয় ভূমিকা পালনের কোনও বার্তা এখনও দেয়নি। এই অবস্থায়, মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশের অন্তর্ভূক্তির সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে চর্চাও জারি। সেই চর্চা আরও উস্কে দিচ্ছে তারেক রহমানের সৌদি, তুরস্কের সফর।
{{/usCountry}}এদিকে, কিছুদিন আগে, একাধিক বাংলাদেশি মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, নভেম্বর মাসে ভারতের সফরে আসতে পারেন তারেক রহমান। তবে এবার শোনা যাচ্ছে, নভেম্বরে সৌদি ও তুরস্কে যাচ্ছেন তারেক। এছাড়াও জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরে জাপান সফরে যাবেন। প্রসঙ্গত, ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনায় রয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর বাংলাদেশে পা রাখার আগে, তারেক রহমানের এই তিন দেশ সফর কূটনৈতিকভাবে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ সেদিকেও নজর রয়েছে ওয়াকিবহাল মহলের।