TCS Nashik: মহারাষ্ট্রের নাসিক শহরে শোরগোল। ভারতের অন্যতম বৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস)-এর নাসিকের বিপিও ইউনিটে মহিলা কর্মীদের যৌন হেনস্থা ও জোর করে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। আর এই আবহে টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন বলেছেন, নাসিকের শাখা থেকে যে অভিযোগগুলি সামনে এসেছে তা অত্যন্ত 'দুর্ভাগ্যজনক' এবং 'উদ্বেগজনক।' একই সঙ্গে তিনি সংস্থার তরফে অভ্যন্তরীণ তদন্তের ঘোষণা করেছেন।

নাসিক শাখার ঘটনার খবর জানাজানি হতেই রবিবার অভিযুক্ত কর্মীদের সাসপেন্ড করেছে টিসিএস। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, হেনস্থার বিষয়ে তাদের জিরো টলারেন্স বা শূন্য সহনশীলতার নীতি রয়েছে। এরপরেই সোমবার সন্ধ্যায় টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনও একটি বিবৃতি জারি করে একই কথাই পুনরাবৃত্তি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, 'টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের নাসিকের শাখা থেকে যে অভিযোগগুলি সামনে এসেছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং উদ্বেগজনক। টাটা গোষ্ঠী তার কর্মীদের কোনও রকম অসদাচরণ, জবরদস্তি বা হেনস্থার ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি মেনে চলে।এই ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত কর্মীদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে পদক্ষেপ করা হয়েছে এবং সংস্হা এই তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে।' তিনি আরও জানান, দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার জন্য সংস্থার তরফ থেকে ইতিমধ্যেই একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করা হয়েছে। টিসিএস-এর চিফ অপারেটিং অফিসার আরতি সুব্রামানিয়ানের নেতৃত্বে এই তদন্ত চলছে।
ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে এবং গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত আট কর্মীর সাতজনকে। গ্রেফতার হওয়া সাত অভিযুক্তের মধ্যে টিসিএসের ইঞ্জিনিয়ার পদমর্যাদার আধিকারিকও রয়েছেন। আরও কয়েক জনের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। প্রয়োজনে তাঁদেরও গ্রেফতার করা হবে। এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে টিসিএসের বিভিন্ন পদে থাকা আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং অশ্বিন চাইনানিকে। এফআইআর করেছেন ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর মহিলা কর্মীরা। গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ, সংস্থায় কর্মরত অভিযুক্তরা প্রথমে অত্যন্ত সুকৌশলে ওই তরুণীদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং বৈবাহিক জীবনের নানা সমস্যার কথা জেনে নিত। এরপর সেই তাদের সেই ব্যক্তিগত দুর্বল বিষয়গুলিকেই হাতিয়ার করা হতো। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত মহিলাদের টার্গেট করে ব্ল্যাকমেল করা এবং ভয় দেখানো শুরু করত তারা। প্রেমের ফাঁদে ফেলে দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন এক তরুণী। ফাঁদে ফেলার পর শুরু হতো ধর্ম পরিবর্তনের জন্য ব্রেনওয়াশ। ফাঁদে ফেলার পর শুরু হতো ধর্ম পরিবর্তনের জন্য ব্রেনওয়াশ। তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগেও আঘাত করা হতো বলে অভিযোগ করেছেন মহিলা কর্মীরা।
{{/usCountry}}ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে এবং গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত আট কর্মীর সাতজনকে। গ্রেফতার হওয়া সাত অভিযুক্তের মধ্যে টিসিএসের ইঞ্জিনিয়ার পদমর্যাদার আধিকারিকও রয়েছেন। আরও কয়েক জনের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। প্রয়োজনে তাঁদেরও গ্রেফতার করা হবে। এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে টিসিএসের বিভিন্ন পদে থাকা আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং অশ্বিন চাইনানিকে। এফআইআর করেছেন ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর মহিলা কর্মীরা। গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ, সংস্থায় কর্মরত অভিযুক্তরা প্রথমে অত্যন্ত সুকৌশলে ওই তরুণীদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং বৈবাহিক জীবনের নানা সমস্যার কথা জেনে নিত। এরপর সেই তাদের সেই ব্যক্তিগত দুর্বল বিষয়গুলিকেই হাতিয়ার করা হতো। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত মহিলাদের টার্গেট করে ব্ল্যাকমেল করা এবং ভয় দেখানো শুরু করত তারা। প্রেমের ফাঁদে ফেলে দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন এক তরুণী। ফাঁদে ফেলার পর শুরু হতো ধর্ম পরিবর্তনের জন্য ব্রেনওয়াশ। ফাঁদে ফেলার পর শুরু হতো ধর্ম পরিবর্তনের জন্য ব্রেনওয়াশ। তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগেও আঘাত করা হতো বলে অভিযোগ করেছেন মহিলা কর্মীরা।
{{/usCountry}}