...
...
Next Story

TCS Conversion Nida Khan: টিসিএস ধর্মান্তকরণে অভিযুক্ত এইচআর ম্যানেজার নিদা নাকি সন্তানসম্ভবা, আবেদন আগাম জামিনের

Nida Khan: রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রাথমিক ভাবে নিদা খান নাসিক অফিসে এইচআর প্রধান পদে ছিল না। সে টেলিকলার হিসাবেই সংস্থায় যোগ দিয়েছিল। এহেন নিদার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে একটি চক্রের হয়ে 'কর্পোরেট জিহাদ' চালাত। নিদা নাকি সংস্থার মহিলা কর্মীদের জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টা করতেন।

Published on: Apr 17, 2026, 11:06:21 IST
Advertisement

তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস)-এর নাসিক অফিসে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত এইচআর ম্যানেজার নিদা খান। তবে তাকে এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এই নিদা খান নাকি বর্তমানে মুম্বাইয়ে রয়েছে এবং তাঁর পরিবারের দাবি নিদা খান সন্তানসম্ভবা। সেই যুক্তি দিয়েই নাসিকের এক আদালতে আগাম জামিনের জন্য আবেদন করেছে নিদা।

টিসিএসের নাসিক অফিসে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত এইচআর ম্যানেজার নিদা খান।
টিসিএসের নাসিক অফিসে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত এইচআর ম্যানেজার নিদা খান।

এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রাথমিক ভাবে নিদা খান নাসিক অফিসে এইচআর প্রধান পদে ছিল না। সে টেলিকলার হিসাবেই সংস্থায় যোগ দিয়েছিল। এহেন নিদার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে একটি চক্রের হয়ে 'কর্পোরেট জিহাদ' চালাত। নিদা নাকি সংস্থার মহিলা কর্মীদের জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টা করতেন। এমনকী হিন্দু কর্মীদের আমিষ খাবার খেতে বাধ্য করতেন বলেও অভিযোগ। জবরদস্তি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের জন্য চাপ দিতেন বলেও অভিযোগ।

উল্লেখ্য, নাসিকে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসে মহিলা কর্মীদের যৌন হেনস্থা এবং ধর্মান্তরিত করার অভিযোগের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার টিসিএস কর্মীরা হল- আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং অশ্বিন চাইনানি। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর একাধিক মহিলা কর্মীরা এফআইআর করেছেন এই ঘটনায়। অভিযোগ, গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে। সংস্থায় কর্মরত অভিযুক্তরা প্রথমে অত্যন্ত সুকৌশলে ওই তরুণীদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং বৈবাহিক জীবনের নানা সমস্যার কথা জেনে নিত। এরপর সেই তাদের সেই ব্যক্তিগত দুর্বল বিষয়গুলিকেই হাতিয়ার করা হত। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত মহিলাদের টার্গেট করে ব্ল্যাকমেল করা হত এবং ভয় দেখানো হত কিংবা প্রেমের ফাঁদে ফেলা হত। এরপর দিনের পর দিন ধর্ষণ ও যৌন হেনস্থা চলত। তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগেও আঘাত করা হত বলে অভিযোগ করেছেন মহিলা কর্মীরা। পরে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য ব্রেনওয়াশ করা হত তাঁদের।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe