...
...
Next Story

Green card curbs: US-এ চাকরির দরজা বন্ধ! ট্রাম্পের গ্রিন কার্ড ফতোয়ার পরেও ইঙ্গিতবাহী বার্তা টিসিএস-র

Green card curbs: ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন মোট আটটি সংস্থার গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে। এর মধ্যে অন্যতম হল টিসিএস।

Published on: Oct 9, 2026, 12:09:48 IST
Advertisement

Green card curbs: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের জন্য নতুন করে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। বৃহস্পতিবার মার্কিন শ্রম দফতর টাটা কনসালট্যন্সি সার্ভিসেসও (টিসিএস), ইনফোসিস, উইপ্রো, এইচসিএল টেকনোলজিস, কগনিজ্যান্ট, ক্যাপজেমিনি, মাইক্রোসফটের পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন বা পিইআরএম কর্মসূচি সাসপেন্ড করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এর জেরে একাধিক ভারতীয় সংস্থার গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত হয়েছে। তবে টিসিএস-এর দাবি, বিষয়টি তাদের কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত কৌশল কিংবা গ্রাহক সম্পর্কিত কার্যক্রমের ওপর কোনওরকম প্রভাব ফেলবে না। উলটে নতুন করে ১৫ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হবে জানিয়ে দিল ভারতীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সংস্থা। যদিও সেই নিয়োগের সুবিধা পাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি মেনে স্থানীয়রাই।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিন কার্ড ফতোয়ার পরেও ইঙ্গিতবাহী বার্তা টিসিএস-র (REUTERS)
ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিন কার্ড ফতোয়ার পরেও ইঙ্গিতবাহী বার্তা টিসিএস-র (REUTERS)

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন মোট আটটি সংস্থার গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে। এর মধ্যে অন্যতম হল টিসিএস। পাশাপাশি, ৯টি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়েছে। এই জোড়া পদক্ষেপের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বিদেশি প্রযুক্তিবিদেরা সমস্যায় পড়তে চলেছেন। স্বাভাবিক ভাবে সমস্যায় পড়বেন ভারতীয় কর্মীরা। স্থায়ীভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের ক্ষেত্রে অসুবিধার মুখে পড়তে হতে পারে। রেহাই পাবেন না পড়ুয়ারাও। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়া এক নথিতে টিসিএস জানিয়েছে, গত দু'বছরে তাদের পিইআরএম আবেদনের সংখ্যা ছিল এক অঙ্কের ঘরে। ফলে মার্কিন সরকারের সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য প্রভাব তাদের ক্ষেত্রে সীমিতই থাকবে।

টিসিএস-এর তরফে আরও জানানো হয়েছে, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী নিয়োগ কৌশলটি প্রধানত স্থানীয় মেধার উপরেই নির্ভরশীল। পাশাপাশি, ক্যাম্পাস থেকে কর্মী নিয়োগ, ৩১টি অফিস ও ডেলিভারি সেন্টারের মাধ্যমে দেশজুড়ে (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে) তাদের যে উপস্থিতি রয়েছে, তাও এই কৌশলকে সাহায্য করছে। মার্কিন প্রশাসনের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে ভারতীয় সংস্থাটি। এক বিবৃতিতে টিসিএস জানিয়েছে, 'আমরা পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম বিষয়ক মার্কিন সরকারের ঘোষণাটি লক্ষ্য করেছি এবং (মার্কিন) শ্রম বিভাগের যেকোনও নির্দেশনা টিসিএস মেনে চলবে।' ভারতীয় তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, 'আমরা আগেই যেমনটা ঘোষণা করেছিলাম, স্থানীয় কর্মী বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার জন্য আগামী পাঁচ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত ১৫,০০০ লোক নিয়োগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।' এর ফলে ট্রাম্পের 'আমেরিকা ফার্স্ট' কৌশলই বাজি মাত করতে চলেছে। কারণ আগামী পাঁচ বছরে টিসিএস মার্কিন মুলুকের স্থানীয় কর্মীবাহিনী সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks