TCS Nida Khan Update: টিসিএসের নাসিক শাখার বিপিও-তে যৌন হেনস্থা এবং ধর্মান্তকরণের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত নিদা খান পলাতক। এহেন নিদার স্বামী পুলিশকে স্ত্রীর অবস্থানের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। তবে সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, দরজায় তালা ঝুলছে। নিদা খানের স্বামী মইন নভিদ ইকবাল খান নিজে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসের লজিস্টিক অফিসার হিসেবে কাজ করেন থানের মুম্বরাতে। মইনকে ১৭ এপ্রিল জেরা করে পুলিশ। সেই সময় মইন পুলিশের কাছে দাবি করেন, নিদা খান এক লপ্তাহ আগে বাড়ি ছেড়ে অন্য একজন আত্মীর কাছে চলে যান। সেই আত্মীয়র বাড়ির ঠিকানাও দেন মইন। তবে সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখে, দরজা বন্ধ। সেই আত্মীয়র ফোনও বন্ধ।

এরপর পুলিশ ফের মইনকে জেরা করে। সেই সময় তিনি আবার দাবি করেন, নুরি শেখ নামে তাঁর এক আন্টি নাকি নিদাকে নাসিকে নিয়ে গিয়েছেন। এবং বর্তমানে নিদা কোথায় আছে, সেই বিষয়ে নাকি স্বামী মইন একদমই অবগত নন। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় অভিযুক্ত দানিশ খানের বোন হল নিদা খান। দানিশের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, যৌন হেনস্থা এবং প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে অভিযোগ, দানিশের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করা টিসিএস কর্মীকে নাকি গালিগালাজ করেছিল নিদা। এমনকী তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করে ধর্মান্তকরণেরও চেষ্টা করে নিদা।
এদিকে টিসিএসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত নিদা খানকে গত ৯ এপ্রিল সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবং নিদা খান একজন প্রোসেস অ্যাসিয়েট ছিল। সে এইআচর ম্যানেজার ছিল না এবং কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ ছিল না। নিদার পরিবারের দাবি, সে সন্তানসম্ভবা। সেই যুক্তি দিয়েই নাসিকের এক আদালতে আগাম জামিনের জন্য আবেদন করেছে নিদা। এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রাথমিক ভাবে নিদা খান নাসিক অফিসে এইচআর প্রধান পদে ছিল না। সে টেলিকলার হিসাবেই সংস্থায় যোগ দিয়েছিল। এহেন নিদার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে একটি চক্রের হয়ে 'কর্পোরেট জিহাদ' চালাত। নিদা নাকি সংস্থার মহিলা কর্মীদের জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা করত। এমনকী হিন্দু কর্মীদের আমিষ খাবার খেতে বাধ্য করতেন বলেও অভিযোগ। জবরদস্তি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের জন্য চাপ দিতেন বলেও অভিযোগ।
উল্লেখ্য, নাসিকে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসে মহিলা কর্মীদের যৌন হেনস্থা এবং ধর্মান্তরিত করার অভিযোগের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তকরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার টিসিএস কর্মীরা হল- আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং অশ্বিন চাইনানি। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর একাধিক মহিলা কর্মীরা এফআইআর করেছেন এই ঘটনায়। অভিযোগ, গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে। দাবি করা হয়েছে, সংস্থায় কর্মরত অভিযুক্তরা প্রথমে অত্যন্ত সুকৌশলে ওই তরুণীদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং বৈবাহিক জীবনের নানা সমস্যার কথা জেনে নিত। এরপর সেই তাদের সেই ব্যক্তিগত দুর্বল বিষয়গুলিকেই হাতিয়ার করা হত। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত মহিলাদের টার্গেট করে ব্ল্যাকমেল করা হত এবং ভয় দেখানো হত কিংবা প্রেমের ফাঁদে ফেলা হত। এরপর দিনের পর দিন ধর্ষণ ও যৌন হেনস্থা চলত। তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগেও আঘাত করা হত বলে অভিযোগ করেছেন মহিলা কর্মীরা। পরে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য ব্রেনওয়াশ করা হত তাঁদের।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, নাসিকে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসে মহিলা কর্মীদের যৌন হেনস্থা এবং ধর্মান্তরিত করার অভিযোগের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তকরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার টিসিএস কর্মীরা হল- আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং অশ্বিন চাইনানি। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর একাধিক মহিলা কর্মীরা এফআইআর করেছেন এই ঘটনায়। অভিযোগ, গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে। দাবি করা হয়েছে, সংস্থায় কর্মরত অভিযুক্তরা প্রথমে অত্যন্ত সুকৌশলে ওই তরুণীদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং বৈবাহিক জীবনের নানা সমস্যার কথা জেনে নিত। এরপর সেই তাদের সেই ব্যক্তিগত দুর্বল বিষয়গুলিকেই হাতিয়ার করা হত। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত মহিলাদের টার্গেট করে ব্ল্যাকমেল করা হত এবং ভয় দেখানো হত কিংবা প্রেমের ফাঁদে ফেলা হত। এরপর দিনের পর দিন ধর্ষণ ও যৌন হেনস্থা চলত। তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগেও আঘাত করা হত বলে অভিযোগ করেছেন মহিলা কর্মীরা। পরে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য ব্রেনওয়াশ করা হত তাঁদের।
{{/usCountry}}