TCS Sex and Conversion Scandal: টিসিএসে যৌন হেনস্থা কেলেঙ্কারি কাণ্ডে এবার মুখ খুললেন শিল্পপতি মোহনদাস পাই। খবরের চ্যানেল এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে মোহনদাস বলেন, 'এইচআর এক্সিকিউটিভের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত'। তিনি টিসিএসের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, এটা সিস্টেম ব্রেকডাউনের সামিল।
শিল্পপতি বলেন, 'এই ঘটনার কথা শুনে আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া - আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। টিসিএস একটি চমৎকার কোম্পানি এবং আমি ধরেই নিয়েছিলাম যে এই ধরনের হয়রানি প্রতিরোধের জন্য তাদের ভালো ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট কী করছিল? এই এইচআর কর্মী যার কাছে রিপোর্ট করতেন, তিনি কী করছেন? কেউ না কেউ নিশ্চয়ই ফিসফিসানি শুনেছেন। কেউ তো কিছু না কিছু কথা শুনে থাকবে। এটা সিস্টেমের ব্রেকডাউন। সাম্প্রদায়িকতা মানবসম্পদকে দখল করছে। আমি পড়েছি যে এই অভিযুক্ত ব্যক্তি সবার সামনে একজন মহিলাকে জাপটে ধরত এবং লোকজন চুপ থাকত। এর মধ্যে একটা ভয়ের ব্যাপার আছে। কোনও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে যে এমনটা ঘটতে পারে, তা বিশ্বাসই করা যায় না - বিশেষ করে টিসিএস-এর মতো একটি দুর্দান্ত কোম্পানিতে তো নয়ই।'
উল্লেখ্য, নাসিকে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসে মহিলা কর্মীদের যৌন হেনস্থা এবং ধর্মান্তরিত করার অভিযোগের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার টিসিএস কর্মীরা হল- আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং অশ্বিন চাইনানি। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর একাধিক মহিলা কর্মীরা এফআইআর করেছেন এই ঘটনায়। অভিযোগ, গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে। সংস্থায় কর্মরত অভিযুক্তরা প্রথমে অত্যন্ত সুকৌশলে ওই তরুণীদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং বৈবাহিক জীবনের নানা সমস্যার কথা জেনে নিত। এরপর সেই তাদের সেই ব্যক্তিগত দুর্বল বিষয়গুলিকেই হাতিয়ার করা হত। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত মহিলাদের টার্গেট করে ব্ল্যাকমেল করা হত এবং ভয় দেখানো হত কিংবা প্রেমের ফাঁদে ফেলা হত। এরপর দিনের পর দিন ধর্ষণ ও যৌন হেনস্থা চলত। তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগেও আঘাত করা হত বলে অভিযোগ করেছেন মহিলা কর্মীরা। পরে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য ব্রেনওয়াশ করা হত তাঁদের।
এদিকে এই বিতর্ক সামনে আসতেই টিসিএস জানিয়েছে, কর্মীদের হয়রানির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি আছে সংস্থার। এই আবহে নাসিক অফিসে যৌন হেনস্থার অভিযোগে জড়িত কর্মচারীদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন এই যৌন হেনস্থার ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, 'এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং বেদনাদায়ক'। এদিকে টিসিএসের চিফ অপারেটিং অফিসার আরতি সুব্রহ্মণ্যমের নেতৃত্বে এই বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে।
{{/usCountry}}এদিকে এই বিতর্ক সামনে আসতেই টিসিএস জানিয়েছে, কর্মীদের হয়রানির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি আছে সংস্থার। এই আবহে নাসিক অফিসে যৌন হেনস্থার অভিযোগে জড়িত কর্মচারীদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন এই যৌন হেনস্থার ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, 'এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং বেদনাদায়ক'। এদিকে টিসিএসের চিফ অপারেটিং অফিসার আরতি সুব্রহ্মণ্যমের নেতৃত্বে এই বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে।
{{/usCountry}}