TCS Sexual Harassment: টিসিএসের নাসিক শাখার বিপিও-তে যৌন হেনস্থা এবং ধর্মান্তকরণের অভিযোগকারীদের মধ্যে অন্যতম তিনি। সেই মহিলা কর্মী পুলিশের কাছে মুখ খুললেন তাঁর অভিজ্ঞতা নিয়ে। সদ্য বিবাহিত সেই মহিলা জানান, তাঁর শাড়ি টানা হয়েছিল, অশালীন ভাবে তাঁর উরুতে হাত রাখা হত, হিন্দু দেবদেবী নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করা হত। অভিযোগকারী পুলিশকে জানান, ২০২৫ সালের ২০ জুন থেকে টিসিএসে অ্যাসোসিয়েট হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। তাঁর তিন মাসের প্রশিক্ষণ পর্ব শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের ২৪ জুন থেকে। তাঁর ট্রেনিং লিডার ছিল শাহরুখ কুরেশি এবং জয়েশ গুঞ্জল।

অভিযোগকারী পুলিশকে জানায়, প্রশিক্ষণের সময় রাজা মেমন নামে একজন টিম লিডার বারবার তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করত। প্রশিক্ষণ পর্বের সঙ্গে এই রাজা মেমনের কোনও যোগ ছিল না। রাজা নাকি সেই মহিলাকে বলত, 'তোমার বর তো বাইরে থাকে, তোমার ভয় করে না? সব কিছু কীভাবে করো তুমি? কখনও কোনও কিছুর প্রয়োজন পড়লে আমাকে বলো, আমি সব ভাবে তোমাকে সহায়তা করব।'
এদিকে তাঁর বিয়ে নিয়েও নাকি রাজা মন্তব্য করত। পুলিশকে সেই অভিযোগকারী বলেন, রাজা নাকি তাঁকে বলত, 'তোমার এই সদ্য বিয়ে হয়েছে, হানিমুনে কোথায় গিয়েছিলে? সেখানে গিয়ে কী করেছিলে?' এদিকে প্রশিক্ষক শাহরুখ কুরেশিও নাকি সেই মহিলা কর্মীকে তাঁর বিবাহিত জীবন নিয়ে লাগাতার প্রশ্ন করত। তারা নাকি সেই মহিলা কর্মীকে বলত, 'তোমার কি লাভ ম্যারেজ নাকি অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ? যদি তোমার বরের সঙ্গে বনিবনা না হয়, তাহলে আমাদের বলবে, আমরা তোমাকে বলে দেব কী কতে হয়। তোমার নিশ্চয় এর আগে অনেক বয়ফ্রেন্ড ছিল। তাদের ছেড়ে একে বিয়ে করলে কীভাবে?' সেই কর্মী অভিযোগ করেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে গুড়ি পরবে তিনি অফিসে শাড়ি পরে গিয়েছিলেন। তখন রাজা তাঁর শাড়ির আঁচল ধরে টান মেরেছিল। এদিকে আসিফ আনসারি বলে অপর একজন কাজের সময় তাঁর পাশে এসে বসে তাঁকে অশালীন ভাবে স্পর্শ করত বলেও অভিযোগ করেছেন সেই কর্মী। তাঁর কাঁধ, উরু, পেট, কোমরে নাকি হাত দিত এই আনসারি। আসিফ নাকি তাঁকে নিয়ে কুরুচিকর এবং অশালীন মন্তব্য করত। আসিফও হিন্দু দেবতাদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে বলে জানান সেই অভিযোগকারী।
এদিকে রাজা মেমনের পরিবারের অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই এই সব মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে রাজার বিরুদ্ধে। এদিকে রাজার পরিবার উলটে তাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং এই ঘটনাকে 'কর্পোরেট জিহাদ' আখ্যা দিয়েছেন।
{{/usCountry}}এদিকে রাজা মেমনের পরিবারের অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই এই সব মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে রাজার বিরুদ্ধে। এদিকে রাজার পরিবার উলটে তাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং এই ঘটনাকে 'কর্পোরেট জিহাদ' আখ্যা দিয়েছেন।
{{/usCountry}}