PM Narendra Modi Video: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ভাইরাল ভিডিওতে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে নয়ডার বছর পনেরোর এক কিশোরীর বিরুদ্ধে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ‘পথভ্রষ্ট’ কিশোরীকে ক্ষমার আবেদন জানিয়েছেন। ওই মন্তব্য করাকে ‘জীবনের প্রথম ও শেষ ভুল’ বলে অভিহিত করে দু’বার ক্ষমাও চেয়েছে ওই কিশোরী। এবার প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা কিশোরীর মা। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশোধ না নিয়ে ক্ষমা করে দেওয়ায় তাঁর মেয়ে নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই কিশোরীর মা জানিয়েছেন, প্রতিশোধের পরিবর্তে ক্ষমা করে দেওয়ায় তিনি 'হাতজোড় করে' প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, 'যে মেয়ে এত নোংরা এবং অশালীন শব্দ ব্যবহার করেছে, তাঁকে ক্ষমা করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর মহানুভবতা দেখিয়েছেন। আজ আমার মেয়ের জন্মদিন। প্রধানমন্ত্রী ওকে জীবনের সবচেয়ে বড় উপহার অর্থাৎ 'জীবনদান' দিয়েছেন। আজ এই মেয়ের নতুন জন্ম হল।' সম্প্রতি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র নেতৃত্বে নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত আপত্তিকর ও অশালীন স্লোগান তোলার অভিযোগ ওঠে ওই কিশোরীর বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার সেই ঘটনার একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে সংযত হওয়ার বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যারা তাঁকে গালিগালাজ করেছেন, তাঁদের ‘পথভ্রষ্ট’ আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর প্রতিবাদে ক্ষোভ বা প্রতিশোধ নেওয়ার পক্ষপাতী তিনি নন।
এর কিছুক্ষণ পরেই ওই কিশোরী প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। সে স্বীকার করে যে সে 'বড় ভুল' করেছে এবং সারা জীবনে একজন ভাল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়ার চেষ্টা করবে। ওই কিশোরী জানায়, কনট প্লেস ঘুরে বন্ধুদের সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিল সে। আশেপাশের মানুষের প্ররোচনাতেই সে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ওই স্লোগান দেয়। এটিকে জীবনের 'প্রথম ও শেষ ভুল' বলে ক্ষমা চেয়ে সে বলে, 'আমি যা করেছি তা ক্ষমার যোগ্য নয়। আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। আমার ভীষণ লজ্জা করছে।' তবে ভিডিওতে ক্ষমা চাওয়ার আগেই গত ২৩ জুলাই যন্তর মন্তরে আয়োজিত এক বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে অশালীন ও অবমাননাকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে ওই কিশোরীর বিরুদ্ধে গাজিয়াবাদের এক বাসিন্দা নয়ডার এক্সপ্রেসওয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। নয়ডা পুলিশ একেকটি জিরো এফআইআর রুজু করে তা পরে দিল্লির সংসদ মার্গ থানায় স্থানান্তরিত করে। অভিযোগকারীর দাবি করেছে যে, ওই কিশোরীর মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর পদের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করেছে এবং এর ফলে শান্তি বিঘ্নিত হতে পারত।
{{/usCountry}}এর কিছুক্ষণ পরেই ওই কিশোরী প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। সে স্বীকার করে যে সে 'বড় ভুল' করেছে এবং সারা জীবনে একজন ভাল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়ার চেষ্টা করবে। ওই কিশোরী জানায়, কনট প্লেস ঘুরে বন্ধুদের সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিল সে। আশেপাশের মানুষের প্ররোচনাতেই সে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ওই স্লোগান দেয়। এটিকে জীবনের 'প্রথম ও শেষ ভুল' বলে ক্ষমা চেয়ে সে বলে, 'আমি যা করেছি তা ক্ষমার যোগ্য নয়। আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। আমার ভীষণ লজ্জা করছে।' তবে ভিডিওতে ক্ষমা চাওয়ার আগেই গত ২৩ জুলাই যন্তর মন্তরে আয়োজিত এক বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে অশালীন ও অবমাননাকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে ওই কিশোরীর বিরুদ্ধে গাজিয়াবাদের এক বাসিন্দা নয়ডার এক্সপ্রেসওয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। নয়ডা পুলিশ একেকটি জিরো এফআইআর রুজু করে তা পরে দিল্লির সংসদ মার্গ থানায় স্থানান্তরিত করে। অভিযোগকারীর দাবি করেছে যে, ওই কিশোরীর মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর পদের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করেছে এবং এর ফলে শান্তি বিঘ্নিত হতে পারত।
{{/usCountry}}যদিও কিশোরীর মায়ের দাবি, তাঁরা বারংবার ক্ষমা চেয়েছেন এবং এফআইআর প্রত্যাহারের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, এফআইএরে তাঁর মেয়ের বয়স ভুলভাবে ২৫ বছর দেখানো হয়েছে, অথচ সে মাত্র ১৫ বছরের এক নাবালিকা। পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্কদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার এবং রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দয়া করে কুড়ি বছরের কম বয়সীদের জন্য ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক বন্ধ করে দিন। ওদের শুধু পড়াশোনা করতে দেওয়া হোক, আন্দোলনে নামতে দেওয়া উচিত নয়। এই সমস্ত মানুষগুলো শিশুদের ব্যবহার করে নিজেদের ফায়দা তোলে এবং যা খুশি তাই বলিয়ে নেয়।'
এদিকে, সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ওই কিশোরের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ইনস্টাগ্রাম ভিডিওর কমেন্টে কটাক্ষ করে অভিজিৎ দীপকে লিখেছেন, 'শুধু রিলেই ক্ষমা করবেন, নাকি মামলাগুলোও তুলে নেবেন?'