...
...
Next Story

বম্বে হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত, ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড 'তেহেলকা' প্রতিষ্ঠাতার

Ex-Tehelka Editor: এই ঘটনার সূত্রপাত ১৩ বছর আগে। তেহেলকারই তৎকালীন এক তরুণী কর্মীর অভিযোগ ছিল, ২০১৩ সালের নভেম্বরে গোয়ায় আয়োজিত ‘থিঙ্কফেস্ট’ অনুষ্ঠানে এক বিলাসবহুল হোটেলের লিফ্‌টে তাঁকে যৌন হেনস্থা করেছেন প্রবীণ সাংবাদিক তরুণ তেজপাল।

Published on: Aug 6, 2026, 16:52:21 IST
Advertisement

Ex-Tehelka Editor: ২০১৩ সালে এক কনিষ্ঠ সহকর্মীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত ‘তেহেলকা’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপালকে (Tarun Tejpal) দোষী সাব্যস্ত করল বম্বে হাইকোর্ট (Bombay High Court)। তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল আদালত। আত্মসমর্পণ করার জন্য তাঁকে দু’সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।

১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড 'তেহেলকা' প্রতিষ্ঠাতার (ANI Video Grab)
১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড 'তেহেলকা' প্রতিষ্ঠাতার (ANI Video Grab)

২০২১ সালে এই মামলায় তরুণ তেজপালকে ‘বেকসুর খালাস’-করেছিল নিম্ন আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় গোয়া সরকার। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি নীলা গোখেল এবং অমিত জামসান্দেকরের ডিভিশন বেঞ্চে। এদিনই সাজা ঘোষণা হল। বম্বে হাইকোর্ট তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করায় তরুণ তেজপাল জানিয়েছেন, আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন এক সময়ের তরুণ তেজপাল। রায় ঘোষণার পর আদালতের কাছে নমনীয়তা কামনা করেন প্রভাবশালী সাংবাদিক। তিনি বলেন, ‘আমার বয়স ৬২। আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। আমার স্ত্রী রয়েছে। এর থেকে বেশি কিছু বলার নেই। তবে এটুকু বলতে পারি, আবার আবেদন করব। আমার বিষয়টি যেন নম্রতার সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।’

মামলাটি ঠিক কী?

এই ঘটনার সূত্রপাত ১৩ বছর আগে। তেহেলকারই (Tehelka) তৎকালীন এক তরুণী কর্মীর অভিযোগ ছিল, ২০১৩ সালের নভেম্বরে গোয়ায় আয়োজিত ‘থিঙ্কফেস্ট’ অনুষ্ঠানে এক বিলাসবহুল হোটেলের লিফ্‌টে তাঁকে যৌন হেনস্থা করেছেন প্রবীণ সাংবাদিক তরুণ তেজপাল। গোয়া পুলিশ তদন্তে নেমে জানায়, এক দিন নয়, পর পর দু’দিন ওই তরুণীকে যৌন হেনস্থা করেছেন তেজপাল। যদিও তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে বলে বরাবর দাবি করে এসেছেন তরুণ। তাঁর বক্তব্য ছিল, গোয়ার বিজেপি সরকারের সমালোচনা করার প্রতিশোধ হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা এনেছে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে, হোটেলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ তরুণীর অভিযোগের সঙ্গে মিলে গিয়েছে বলে দাবি করেছিল গোয়া পুলিশ। ২০১৩-র ৩০ নভেম্বর তরুণকে গ্রেফতার করা হয়। ছ’মাস গোয়ার ভাসকো-র একটি জেলে বন্দি ছিলেন তিনি।

২০১৭ সালে গোয়ার মাপুসার আদালতে এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে তেহেলকার কর্ণধারের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে নিম্ন আদালত। ২,৬৮৪ পাতার চার্জশিটে তরুণের বিরুদ্ধে ধর্ষণ-সহ পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল, যার মধ্যে যৌন হেনস্থার সঙ্গে রয়েছে জোর করে আটকে রাখার অভিযোগও। তবে ওই মামলায় ২০২১ সালে তেজপালকে বেকসুর খালাস করা হয়। নিম্ন আদালতের ওই রায়ের পর পরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় গোয়া সরকার।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe