...
...
Next Story

বম্বে হাইকোর্টে বড় ধাক্কা তরুণ তেজপালের! সহকর্মীকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত ‘তেহেলকা’ প্রতিষ্ঠাতা

Ex-Tehelka Editor: বৃহস্পতিবার বিচারপতি ড. নীলা গোখলে এবং অমিত জামসান্দেকরের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে এই রায় দেন।

Published on: Aug 6, 2026, 13:14:34 IST
Advertisement

Ex-Tehelka Editor: বম্বে হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তরুণ তেজপাল (Tarun Tejpal)। ২০১৩ সালের ধর্ষণ মামলায় ‘তেহলকা’র প্রতিষ্ঠাতাকে দোষী সাব্যস্ত করল বম্বে হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ (Goa Bench of Bombay High Court)। ২০২১ সালে এই মামলায় তাঁকে ‘বেকসুর খালাস’-করেছিল নিম্ন আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় গোয়া সরকার।

বম্বে হাইকোর্টে বড় ধাক্কা তরুণ তেজপালের! (ANI Video Grab)
বম্বে হাইকোর্টে বড় ধাক্কা তরুণ তেজপালের! (ANI Video Grab)

বৃহস্পতিবার বিচারপতি ড. নীলা গোখলে এবং অমিত জামসান্দেকরের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে এই রায় দেন। এই মামলায় গোয়া সরকারের পক্ষে ভারতের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta) এবং তরুণ তেজপালের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী আবাদ পোন্ডা শুনানিতে অংশ নেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ সালের নভেম্বরে গোয়ার থিঙ্কফেস্ট অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি হোটেলের লিফটের ভেতরে নিজের এক জুনিয়র সহকর্মীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠে তরুণ তেজপালের বিরুদ্ধে। সেই সময় জাতীয় স্তরে এই ঘটনা ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছিল। ২০১৭ সালে এই মামলার বিচার শুরু হয় গোয়ার মাপুসা আদালতে। ২০২১ সালে ট্রায়াল কোর্ট তরুণ তেজপালকে খালাস করলে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করে গোয়া সরকার।

সেই সময় নিম্ন আদালত তাদের পর্যবেক্ষণে অত্যন্ত বিতর্কিতভাবে জানিয়েছিল যে, যৌন হেনস্থার শিকার হলে একজন নির্যাতিতার যে ধরনের 'স্বাভাবিক আচরণ' করার কথা, অভিযোগকারিণীর ক্ষেত্রে তা দেখা যায়নি। তবে হাইকোর্টে তুষার মেহতা বলেন, যৌন নির্যাতনের শিকার প্রত্যেক মানুষের প্রতিক্রিয়া এক রকম হয় না। ব্যক্তির শিক্ষা, সামাজিক অবস্থান, ব্যক্তিত্ব ও পরিস্থিতির ওপর তা নির্ভর করে। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর আদালতে তুষার মেহতা তরুণ তেজপালকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান। তিনি বলেন, অভিযোগকারী তাঁর মেয়ের বয়সি হওয়া সত্ত্বেও তেজপাল অপরাধ করেছেন। তিনি অভিযোগকারীর কাছে অভিভাবকসুলভ ব্যক্তি ছিলেন। আদালতের এমন বার্তা দেওয়া উচিত যে, কোনও নারী ‘না’ বললে তার অর্থ ‘না।’ অন্যদিকে, রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন একসময়ের এই প্রভাবশালী সাংবাদিক। রায় ঘোষণার পর আদালতের কাছে নমনীয়তা কামনা করেন তরুণ তেজপাল। তিনি বলেন, তাঁর বয়স ৬২ বছর এবং তিনি দুই মেয়ের বাবা। তিনি নিজেকে এই মামলার ভুক্তভোগী মনে করেন। পাশাপাশি, তিনি উচ্চ আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য সময় চান। বিচারকদের কাছে শাস্তির মেয়াদ কমানোর মরিয়া আর্জি জানিয়ে তরুণ তেজপাল বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি যে এই মামলায় আমি নিজেই একজন শিকার। আমার স্ত্রী আছেন, এর চেয়ে বেশি কিছু বলার নেই। দয়া করে আমার প্রতি একটু সহানুভূতিশীল হোন।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe