৬ জনকে হত্যা। তাঁদের সকলকে গলা কেটে খুন। এমনই অভিযোগ ছিল তেলাঙ্গানার পি রাজকুমারের বিরুদ্ধে। এই মৃত ৬ জনের মধ্যে রাজকুমারের স্ত্রী ও মেয়েও ছিল। গত ৩ দিন ধরে ফেরার ছিল রাজকুমার। খুঁজছিল পুলিশ। রাজকুমারের মাথার ওপর ছিল ২ লাখ টাকার পুরস্কার। তেলাঙ্গানা পুলিশ এবার তার মৃতদেহ উদ্ধার করল এক গ্রামের প্রান্তর থেকে।

অভিযোগ রয়েছে যে, গত ১০ জুলাই রাঙ্গারেডি জেলায় পি রাজকুমার নামে এক কৃষক ছয়জনকে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তার স্ত্রী ও দুই সন্তান এবং সেই সঙ্গে এক নাবালিকা ও তার পরিবারের দুজন সদস্য।তার বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইনে মামলা দায়েরও ছিল। এক কিশোরীকে নির্যাতনের অভিযোগে ছিল পকসো মামলা। সেই কিশোরী, তার মা এবং তার দিদিমাকেও খুন করার অভিযোগ ছিল রাজকুমারের বিরুদ্ধে। ৬ খুনের পর থেকেই ফেরার ছিল রাজকুমার। রাজকুমারকে খুঁজতে পুলিশ ১২ টি টিম ময়দানে নামায়।
সোমবার বিকেল ৩টার দিকে, রাঙ্গারেড্ডি জেলার কোথুর মণ্ডলের পেনজারলা গ্রামের উপকণ্ঠে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা 'ডায়াল ১০০'-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন, এরপরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
পুলিশ জানিয়েছে , রাজকুমারের পকেটে একটি মোবাইল ফোন (এয়ারপ্লেন মোডে থাকা), বাসের টিকিট ও ১,২৬০ টাকা নগদ অর্থ পেয়েছে তারা। এছাড়াও মৃতদেহের পাশে আগাছানাশক ওষুধের একটি বোতল পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ কমিশনার বলছেন,'সম্ভবত সে আগাছানাশকটি পান করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি পাঠানো হবে। ঘটনাস্থল দেখে মনে হচ্ছে, সে হয়তো আগাছানাশক পান করে; তাই মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ এটিই হতে পারে।' পুলিশের ওই অফিসার আরও জানান, পুলিশ, রাজকুমারের মোবাইল ফোনের গ্যালারিতে দুই মিনিট ২৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও খুঁজে পেয়েছে। জোশি জানান, ঘটনার আগে ১০ জুলাই সন্ধ্যায় রাজকুমার ভিডিওটি রেকর্ড করেছিলেন, এতে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন যে তিনি জীবন নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন (জীবনের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন) এবং আত্মহত্যা করতে চান।
উদ্ধার হওয়া ভিডিওতে রাজকুমার দাবি করে যে, নির্যাতিতা মেয়েটির পরিবার তার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর তাকে প্রতারিত করেছে।অন্যায়ের অভিযোগ তুলে রাজকুমার মেয়েটির পরিবারের সদস্যদের আর্থিক ক্ষতির জন্য দায়ী করেন এবং জানায় যে, এ কারণেই সে হত্যাকাণ্ড ও আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। সে ভিডিওতে নাম উল্লেখ করা মেয়েটির পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়।
{{/usCountry}}উদ্ধার হওয়া ভিডিওতে রাজকুমার দাবি করে যে, নির্যাতিতা মেয়েটির পরিবার তার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর তাকে প্রতারিত করেছে।অন্যায়ের অভিযোগ তুলে রাজকুমার মেয়েটির পরিবারের সদস্যদের আর্থিক ক্ষতির জন্য দায়ী করেন এবং জানায় যে, এ কারণেই সে হত্যাকাণ্ড ও আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। সে ভিডিওতে নাম উল্লেখ করা মেয়েটির পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়।
{{/usCountry}}