Terrorist Attack on Assam Rifles Camp: অরুণাচল প্রদেশের চাংলাং জেলায় অসম রাইফেলসের একটি ক্যাম্পে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার ভোরে সন্দেহভাজন জঙ্গিরা এই হামলা চালায় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় কেউ আহত বা নিহত হননি। তবে নিরাপত্তা বাহিনী এবং সন্দেহভাজন জঙ্গিদের মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট ধরে তীব্র গুলির লড়াই চলে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল লংভি গ্রামের ২১ অসম রাইফেলসের লংভি কোম্পানি অপারেটিং বেস। শুক্রবার ভোর প্রায় ৩টে ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই ক্যাম্প লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।

হামলার পর দ্রুত পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র গুলির লড়াই শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ধরে গুলি বিনিময় চলে। পরে জঙ্গিরা ঘন জঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন এক পদস্থ পুলিশ আধিকারিক। হামলার পর পুরো এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। জঙ্গিরা কোন পথে পালিয়েছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। সম্ভাব্য লুকিয়ে থাকার জায়গাগুলিতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
সূত্রের দাবি, এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছিল NSCN (K-YA)-এর স্বঘোষিত কর্নেল মাকাম হাচেন। তবে এই হামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ULFA (Independent)-এর ভূমিকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। তদন্তকারীরা সবদিক খতিয়ে দেখছেন। ঘটনার পর অরুণাচল প্রদেশের পাশাপাশি আন্তঃরাজ্য সীমান্ত এলাকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যাতে হামলাকারীরা অন্য এলাকায় ঢুকে যেতে না পারে, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে এলাকায় কম্বিং অপারেশন শুরু করা হয়েছে। জঙ্গলের বিস্তীর্ণ এলাকায় নিরাপত্তাকর্মীরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। আশপাশের রাস্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের এই অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনের উপস্থিতি রয়েছে। ফলে নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্পগুলিকে লক্ষ্য করে হামলার আশঙ্কাও থাকে। লংভিতে এই হামলার পর সেই উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
তবে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত পাল্টা জবাবের কারণে হামলাকারীরা বেশি ক্ষতি করতে পারেনি বলে মনে করা হচ্ছে। ক্যাম্পে থাকা জওয়ানরা নিরাপদে রয়েছেন। হামলার পর আরও সতর্ক করা হয়েছে পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে। এই হামলার নেপথ্যে ঠিক কারা ছিল এবং হামলার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তের মাধ্যমে সেই তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হামলাকারীদের শনাক্ত করতে স্থানীয় সূত্র এবং গোয়েন্দা তথ্যও কাজে লাগানো হচ্ছে।
{{/usCountry}}তবে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত পাল্টা জবাবের কারণে হামলাকারীরা বেশি ক্ষতি করতে পারেনি বলে মনে করা হচ্ছে। ক্যাম্পে থাকা জওয়ানরা নিরাপদে রয়েছেন। হামলার পর আরও সতর্ক করা হয়েছে পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে। এই হামলার নেপথ্যে ঠিক কারা ছিল এবং হামলার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তের মাধ্যমে সেই তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হামলাকারীদের শনাক্ত করতে স্থানীয় সূত্র এবং গোয়েন্দা তথ্যও কাজে লাগানো হচ্ছে।
{{/usCountry}}বর্তমানে লংভি এবং আশপাশের এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলছে। আন্তঃরাজ্য সীমান্তেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর আশঙ্কা, হামলাকারীরা এখনও জঙ্গলের কোথাও লুকিয়ে থাকতে পারে। ফলে চাংলাং জেলায় আগামী কয়েক ঘণ্টা নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জঙ্গিদের খুঁজে বের করতে অভিযান আরও জোরদার করা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।