পাকিস্তানের রাস্তায় দাঁড়িয়ে খোলাখুলি এক মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতার ছেলে প্রশংসা করছেন সেদেশের সেনা প্রধানের! এই দৃশ্য পাকিস্তানে নতুন নয়। সদ্য জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তৈবার প্রধান, হাফিজ সইদের পুত্র তালহা সইদ ফের একবার ভারতের বিরুদ্ধে সেদেশের ভরা সভায় সুর চড়া করেছেন। তাঁর বক্তব্যের টার্গেটে ভারতের পাশাপাশি, দিল্লির শাসকরাও। এছাড়াও তাঁর এই ভাষণের বক্তব্যে পাকিস্তানের সেনা প্রধান আসিম মুনির সম্পর্কেও উঠে এসেছে প্রশংসা।

ভারতের প্রতি হুঁশিয়ারির সুর চড়া করে সন্ত্রাসী হাফিজের পুত্র তালহা তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘যতদিন আমরা বেঁচে আছি এবং আমাদের মধ্যে শক্তি আছে, ততদিন আমরা এই জেহাদ চালিয়ে যাব এবং এই ত্যাগ স্বীকার অব্যাহত রাখব।’ এরপর সইদ ভারতের ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। এর মাধ্যমে তিনি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার বর্তমান রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে এক বৃহত্তর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। ধর্মীয় প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ‘এই উপমহাদেশে মুসলমানরা ৫০০ বছর ধরে শাসন করেছে।’ এরপর তিনি সরাসরি দিল্লির ভারতীয় শাসকদের দিকে আঙুল তোলেন। সইদ প্রশ্ন করেন, ‘দিল্লিতে আসীন পাকিস্তান-বিরোধী শাসকরা আজ কোন যুক্তিতে কথা বলছেন?‘ এরপর তিনি আরও বলেন, ‘তারা কি ইতিহাস ভুলে গেছেন যে দিল্লি কাদের ছিল এবং ভারতের অঞ্চলগুলো কাদের অধিকারে ছিল?’
সইদ জোর দিয়ে বলেন যে, তাঁর মন্তব্যগুলো ঐতিহাসিক সত্যের ওপর ভিত্তি করেই করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি ইতিহাসের পরিপন্থী, ভুল কিংবা তথ্যের বিরুদ্ধে কোনও কথা বলছি না।’ লস্কর চিফের ছেলের বক্তব্যে পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব, বিশেষ করে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের প্রশংসাও ছিল। তিনি মক্কা চুক্তিকে ল্যান্ডমার্ক বলেও ব্যাখ্যা করেন।
উল্লেখ্য, তালহা সইদের আরও এক পরিচিতি রয়েছে। লস্করের-এর সদস্য সংগ্রহ, প্রচারণা, তহবিল সংগ্রহ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে কথিত সম্পৃক্ততার কারণে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র, তালহা সইদকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১২ সালে হাফিজ তালহা সাঈদকে তালিকাভুক্ত করেছিল, আর ভারত ২০২২ সালে ‘বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন’-এর আওতায় তাঁকে ব্যক্তিগত সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করে। আর এমন সন্ত্রাসীর পাকিস্তানে খোলাখুলি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার ঘটনা নতুন নয়!
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, তালহা সইদের আরও এক পরিচিতি রয়েছে। লস্করের-এর সদস্য সংগ্রহ, প্রচারণা, তহবিল সংগ্রহ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে কথিত সম্পৃক্ততার কারণে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র, তালহা সইদকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১২ সালে হাফিজ তালহা সাঈদকে তালিকাভুক্ত করেছিল, আর ভারত ২০২২ সালে ‘বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন’-এর আওতায় তাঁকে ব্যক্তিগত সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করে। আর এমন সন্ত্রাসীর পাকিস্তানে খোলাখুলি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার ঘটনা নতুন নয়!
{{/usCountry}}