Maharashtra SIR: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (SIR) সঙ্গে জড়িত কাঠামোগত অনিয়মের অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবার একমঞ্চে ঠাকরে ব্রাদার্স। রবিবার মুম্বইয়ে প্রায় দু দশক পরে রাজনৈতিক মিছিলে পা মেলালেন শিবসেনা (উদ্ধব) প্রধান উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) এবং মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার প্রধান রাজ ঠাকরে (Raj Thackeray)।
'বিরাট গর্জন মোর্চা' (Grand Roar March) নামে এই মিছিল মেট্রো সিনেমা এলাকা থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ মুম্বইয়ের বৃহন্মুম্বাই পৌর নিগম (BMC) সদর দফতরের দিকে যায়। কংগ্রেস এবং শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি-এর নেতারাও কর্মসূচিতে যোগ দেন। মিছিলের মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং মহারাষ্ট্রে এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি জানানো হয়। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হন রাজ এবং উদ্ধব ঠাকরে, দুজনেই। রাজ ঠাকরে এসআইআর বাতিলের পাশাপাশি দেশে ইভিএম-এর পরিবর্তে ব্যালট পেপারে ভোট ফেরানোর দাবি জানান। তাঁর দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, মহারাষ্ট্রে ভোটের আগে লক্ষ লক্ষ নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছিল এবং এ বার এসআইআরের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি নাম বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজ ঠাকরের অভিযোগ, ভোটার তালিকায় একদিকে অস্বাভাবিকভাবে নাম বাড়ানো হচ্ছে, অন্যদিকে সংশোধনের নামে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়ছে। তাঁর বক্তব্য, ভোটের স্বচ্ছতা এবং মানুষের আস্থা ফেরাতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের পরিবর্তে ব্যালট পেপারে ভোট ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। তাঁর মতে, ব্যালট পেপারে ভোট হলে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কোনও সংশয় থাকবে না। ২০১৭-১৮ সাল থেকেই ইভিএম এবং ভোটার তালিকার অসঙ্গতি নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলছেন বলে দাবি করেন রাজ। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রে মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে ৪০ থেকে ৬০ লক্ষ ভোটার কীভাবে বেড়ে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরে অভিযোগ করেন, এসআইআর-এর মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে জার্মানির প্রাক্তন শাসক অ্যাডলফ হিটলারের তুলনা টেনে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিও তোলেন উদ্ধব ঠাকরে। তাঁদের বক্তব্য অবশ্য রাজনৈতিক অভিযোগ হিসেবেই সামনে এসেছে।
উল্লেখ্য, জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা নিয়ে মুম্বইয়ের রাজপথ গত কয়েকদিন থেকেই উত্তাল হয়েছে। ২ অক্টোবর ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) ভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে মিলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লি ও মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল। দিল্লিতে আটক হন অন্তত ১১০০ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন মধ্যে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতীশীও। আটক হওয়া অন্যদের মধ্যে ছিলেন সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য বৃন্দা কারাট, আইসা নেত্রী নেহা বোরা, আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং-সহ আপের একাধিক শীর্ষ নেতা।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা নিয়ে মুম্বইয়ের রাজপথ গত কয়েকদিন থেকেই উত্তাল হয়েছে। ২ অক্টোবর ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) ভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে মিলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লি ও মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল। দিল্লিতে আটক হন অন্তত ১১০০ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন মধ্যে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতীশীও। আটক হওয়া অন্যদের মধ্যে ছিলেন সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য বৃন্দা কারাট, আইসা নেত্রী নেহা বোরা, আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং-সহ আপের একাধিক শীর্ষ নেতা।
{{/usCountry}}