Vaibhav Sooryavanshi: প্রথম একাদশে এই মুহূর্তে খেলা হচ্ছে না বৈভব সূর্যবংশীর (Vaibhav Sooryavanshi)। নিউজিল্যান্ডের ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে এমনই ইঙ্গিত দিলেন ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer)।

বুধবার ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক জানিয়েছেন, টপ অর্ডারে অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন ধারাবাহিকভাবে রান করছেন। তবে অধিনায়ক স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই বিস্ময়-প্রতিভা সময় এলে সুযোগ ঠিক পাবেন। চলতি বছরের শুরুতে ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফরের দলে জায়গা পাওয়ার পর থেকে ভারত যে ২১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে, তার মধ্যে বৈভব সূর্যবংশী সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ৮টিতে। নিয়মিত দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসনের ধারাবাহিকতাই এর প্রধান কারণ। চলতি বছরের শুরুতে ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখার ক্ষেত্রেও তাঁরা দুজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ শুরুর আগের দিন শ্রেয়স আইয়ার বলেন, ‘তার (বৈভব সূর্যবংশীর) মতো প্রতিভাবান এক জনের ড্রেসিংরুমে সবসময় আনন্দে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। ও খুবই তরুণ। সামনে সুযোগ পাওয়ার জন্য অনেক বছর রয়েছে। এখনই ও দলে ঢুকে পড়বে, এমনটা নয়। কারণ, আমাদের দুই ওপেনার ধারাবাহিকভাবে রান করছে এবং ওরা বিশ্বকাপও জিতেছে।’ এশিয়ান গেমসে বৈভবকে ওপেন করার সুযোগ দিতে সঞ্জু তিন নম্বরে নেমে এসেছিলেন। তবে বিদেশে খেলার এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে বৈভবকে আরও পরিণত করে তুলবে বলেই মনে করেন শ্রেয়স। তাঁর কথায়, ‘বিদেশ সফরে থাকলে এই ধরনের পিচে কী ভাবে খেলতে হয়, সে সম্পর্কে ও একটা স্পষ্ট ধারণা পাবে। পরের বার যখনই ও এই ধরনের পরিবেশে খেলতে আসবে, তখন ও অনেক বেশি তৈরি থাকবে। এমনকী দলের অন্য যারা প্রথম বার এখানে আসবে, তাদেরও ও পথ দেখাতে পারবে।’
গত এক মাসে আফগানিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে পরপর ঘরের মাঠে সিরিজ এবং এশিয়ান গেমসে খেলার মতো ব্যস্ত সূচি কাটিয়ে ভারত এ বার নিউজিল্যান্ডে পৌঁছেছে। শ্রেয়স বলেছেন, ‘অতীতেও এমন হয়েছে, বিশেষ করে আফগানিস্তান সিরিজ শেষ করার পরে। তবে নতুন পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ারও এক ধরনের আনন্দ আছে। অজুহাত না দেখিয়ে কী ভাবে ম্যাচ জেতা যায়, সেই পরিকল্পনাই এখন ড্রেসিংরুমে চলছে।’ ঘরের মাঠে পাটা পিচে ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত ভারতীয় দলকে নিউজিল্যান্ডের পেস-সহায়ক পিচ এবং ঠান্ডা আবহাওয়ার সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার পরীক্ষা দিতে হবে। শ্রেয়স অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁর দল এই ধরনের কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে অভ্যস্ত। তিনি বলেন, ‘এখানে পেস বোলিং সুবিধা পায়। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি আলাদা, তা নয়। ইংল্যান্ডে যেমন আমরা খেলেছিলাম, ওরা আমাদের ব্যাটিং-সহায়ক উইকেট তৈরি করেছিল। কিন্তু ম্যাচের দিন উইকেট কেমন আচরণ করবে, তা আগে থেকে কেউ জানে না। তাই আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখানকার পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব। অনুশীলনের পরে সবার স্পষ্ট ধারণা হয়ে যাবে যে কী ভাবে এখানে খেলতে হবে।’
{{/usCountry}}গত এক মাসে আফগানিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে পরপর ঘরের মাঠে সিরিজ এবং এশিয়ান গেমসে খেলার মতো ব্যস্ত সূচি কাটিয়ে ভারত এ বার নিউজিল্যান্ডে পৌঁছেছে। শ্রেয়স বলেছেন, ‘অতীতেও এমন হয়েছে, বিশেষ করে আফগানিস্তান সিরিজ শেষ করার পরে। তবে নতুন পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ারও এক ধরনের আনন্দ আছে। অজুহাত না দেখিয়ে কী ভাবে ম্যাচ জেতা যায়, সেই পরিকল্পনাই এখন ড্রেসিংরুমে চলছে।’ ঘরের মাঠে পাটা পিচে ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত ভারতীয় দলকে নিউজিল্যান্ডের পেস-সহায়ক পিচ এবং ঠান্ডা আবহাওয়ার সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার পরীক্ষা দিতে হবে। শ্রেয়স অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁর দল এই ধরনের কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে অভ্যস্ত। তিনি বলেন, ‘এখানে পেস বোলিং সুবিধা পায়। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি আলাদা, তা নয়। ইংল্যান্ডে যেমন আমরা খেলেছিলাম, ওরা আমাদের ব্যাটিং-সহায়ক উইকেট তৈরি করেছিল। কিন্তু ম্যাচের দিন উইকেট কেমন আচরণ করবে, তা আগে থেকে কেউ জানে না। তাই আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখানকার পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব। অনুশীলনের পরে সবার স্পষ্ট ধারণা হয়ে যাবে যে কী ভাবে এখানে খেলতে হবে।’
{{/usCountry}}