...
...
Next Story

Gyanesh Kumar: ‘অনুষ্ঠানের তারিখ পরিবর্তন…,’ বিতর্ক-পদত্যাগের চাপ? উত্তরপ্রদেশে জ্ঞানেশ কুমারের দুই কর্মসূচি স্থগিত

Gyanesh Kumar: আপাতত দু’টি কর্মসূচিই স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের দাবি, চলতি বিতর্কের সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমারের কর্মসূচি স্থগিত করার কোনও সম্পর্ক নেই।

Published on: Sep 25, 2026, 14:34:55 IST
Advertisement

Gyanesh Kumar: ভোটার লিস্টে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) হোক অথবা বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনা— গত এক বছরে বারবার দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে দেশের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই)। কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকেও। তবে এবার দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার (ইসি) সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশীর ‘মতানৈক্য’কে ঘিরে। সর্বভারতীয় সংবাদপত্র ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’–এর এই খবর সামনে আসতেই জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চাইছে দেশের রাজনৈতিক বিরোধী শিবির। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, এই আবহেই জ্ঞানেশ কুমারের উত্তরপ্রদেশে নির্ধারিত দু’টি অনুষ্ঠান স্থগিত করে দিল নির্বাচন কমিশন।

উত্তরপ্রদেশে জ্ঞানেশ কুমারের দুই কর্মসূচি স্থগিত (PTI)
উত্তরপ্রদেশে জ্ঞানেশ কুমারের দুই কর্মসূচি স্থগিত (PTI)

শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের মেরঠে নবীন ভোটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বরে (সোমবার) বারাণসীতে ‘জেন জি’-দের সঙ্গে দেখা করার কর্মসূচি ছিল তাঁর। সেখানে বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের। আপাতত দু’টি কর্মসূচিই স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের দাবি, চলতি বিতর্কের সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমারের কর্মসূচি স্থগিত করার কোনও সম্পর্ক নেই। এই প্রসঙ্গে কমিশনের এক আধিকারিক বলেন, 'অনুষ্ঠানের তারিখ পরিবর্তন হয়েই থাকে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সময়সূচি, অনুষ্ঠানস্থল ফাঁকা পাওয়া যাচ্ছে কিনা, কিংবা প্রাকৃতিক কারণের মতো বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে এগুলি হয়।'

বর্তমানে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর অন্তর্তদন্তমূলক প্রতিবেদনকে ঘিরে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশি গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। ভোটার তালিকায় নাম যোগ করা, নাম বাদ দেওয়া, ফর্ম ৬-এর পরিবর্তন এবং ভোটার ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যও রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশির উত্থাপিত প্রশ্ন বা মতামতগুলি সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার অংশ ছিল। কমিশন জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য বা প্রশাসনিক প্রশ্ন তোলা একটি বহু-সদস্যের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক বিষয় এবং তার অর্থ এই নয় যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত একতরফাভাবে নেওয়া হয়েছে। তবে কমিশন এই ব্যাখ্যা দিলেও বিতর্ক থামেনি। উল্টে বিরোধী দলগুলি কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করেছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ চেয়েছে ককরোচ জনতা পার্টিও (সিজেপি)।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks