...
...
Next Story

ISRO Mass Resignation: ইসরোয় ‘ব্রেন ড্রেন!’ বিজ্ঞানীর গণ-ইস্তফায় নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র, জারি নতুন বিধি

ISRO Mass Resignation: গত ১৪ জুলাই একটি অভ্যন্তরীণ স্মারকলিপির মাধ্যমে ডিওএস জানিয়েছে, গগনযান বা জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন মিশনের সঙ্গে যুক্ত গ্রুপ ‘এ’ বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত কর্মীদের ইস্তফা বা স্বেচ্ছাবসরের আবেদন আর রুটিন প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হবে না।

Published on: Jul 17, 2026, 19:14:00 IST
Advertisement

ISRO Mass Resignation: ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাস বর্তমানে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে। একদিকে যখন গগনযানের মতো উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানব মহাকাশ অভিযানের প্রস্তুতি তুঙ্গে, ঠিক তখনই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)-র অন্দরে তৈরি হয়েছে বড়সড় কর্মী সংকটের আশঙ্কা। গত কয়েক মাসে প্রায় ১০০ জন বিজ্ঞানী ইস্তফা দেওয়ায় নড়েচড়ে বসল ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস (ডিওএস)। গুরুত্বপূর্ণ মিশনগুলির স্বার্থে বিজ্ঞানীদের ইস্তফা ও স্বেচ্ছাবসরের নিয়মে বড়সড় কড়াকড়ি করল কেন্দ্র।

বিজ্ঞানীর গণ-ইস্তফায় নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র, জারি নতুন বিধি (ISRO)
বিজ্ঞানীর গণ-ইস্তফায় নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র, জারি নতুন বিধি (ISRO)

গত ১৪ জুলাই একটি অভ্যন্তরীণ স্মারকলিপির মাধ্যমে ডিওএস জানিয়েছে, গগনযান বা জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন মিশনের সঙ্গে যুক্ত গ্রুপ ‘এ’ বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত কর্মীদের ইস্তফা বা স্বেচ্ছাবসরের আবেদন আর রুটিন প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হবে না। এর পরিবর্তে, এখন থেকে এ ধরনের সব আবেদন চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস-এর কাছে পাঠাতে হবে। স্মারকলিপি থেকে ইসরোর অভ্যন্তরীণ ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।যেখানে বলা হয়েছে, ‘লক্ষ্য করা গিয়েছে যে, গ্রুপ ‘এ’ পর্যায়ের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত কর্মীদের-যাদের মধ্যে মর্যাদাপূর্ণ ‘গগনযান’ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মিশন বা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরাও রয়েছেন, স্বেচ্ছায় অবসর ও পদত্যাগের আবেদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।’

এই নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে ২০২০ সালের নভেম্বরে প্রবর্তিত একটি প্রশাসনিক সংস্কার কার্যত বাতিল করা হলো। সেই সংস্কারের আওতায় ‘সায়েন্টিস্ট/ইঞ্জিনিয়ার-এসজি’ স্তর পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের পদত্যাগ ও স্বেচ্ছায় অবসরের আবেদন অনুমোদনের ক্ষমতা ইসরোর বিভিন্ন কেন্দ্রের পরিচালকদের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছিল। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ মিশনগুলো সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত পরিচালকদের এ ধরনের আবেদন গ্রহণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই ‘ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস’ বা মহাকাশ বিভাগের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। এই স্মারকলিপি পাঠানো হয়েছে ইসরো অধীনস্থ ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার (ইউআরএসসি) এবং বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (ভিএসএসসি)-সহ অন্য সংস্থায়।

কেন এই কড়াকড়ি?

তবে এই পদত্যাগের ঘটনায় উদ্বেগ কমানোর চেষ্টা করেছেন ইসরোর চেয়ারম্যান ভি. নারায়ণন। তিনি স্বীকার করেছেন যে কয়েকজন বিজ্ঞানী সংস্থা ছেড়েছেন, কিন্তু একই সঙ্গে জানিয়েছেন, এই পরিবর্তন সামাল দেওয়ার মতো দক্ষ জনবল ও সক্ষমতা এখনও ইসরো-র রয়েছে। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভি নারায়ণন বলেন, 'হ্যাঁ, অনেকেই চলে যান। তবে এটা প্রত্যেক সংস্থাতেই ঘটে। কাউকে ধরে রাখা নয়, বরং গুরত্বপূর্ণ অভিযানগুলি যাতে ধাক্কা না খায়, তা দেখাই কাজ আমাদের। একজন গেলে অন্য কেউ দায়িত্ব নেবেন। আমরা বিষয়টি দেখছি।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe