RSS on Udhayanidhi Stalin: তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে। শুধু ক্ষমতা যাওয়াই নয়, তামিলনাড়ু বিধানসভায় আসনসংখ্যার নিরিখেও বেশ চাপে ডিএমকে। খোদ এমকে স্ট্যালিন ভোটে হেরেছেন। কিন্তু তাতেও নিজের পুরনো অবস্থান থেকে সরে আসছেন না তাঁর পুত্র উদয়নিধি স্ট্যালিন। এবার তামিলনাড়ু বিধানসভায় ‘সনাতন ধর্ম’কে নির্মূল করার বার্তা দিয়ে ফের বিতর্কে জড়িয়েছেন এই ডিএমকে বিধায়ক। আর উদয়নিধির ওই মন্তব্যে স্বভাবতই ফুঁসে উঠেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)।

এবার বিধানসভায় এম কে স্ট্যালিন জিততে পারেননি। তাই উদয়নিধিকেই বিরোধী দলনেতা করেছে ডিএমকে। বিরোধী দলনেতা হিসাবে বিধানসভায় প্রথম ভাষণেই ফের সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন উদয়নিধি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর নতুন অধিবেশনের প্রথম দিনেই বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন বলেন, 'সনাতন, যা মানুষকে বিভক্ত করেছে, তা নির্মূল করা উচিত।' এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ছিল 'বন্দে মাতরম' নিয়ে। আসলে বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীতের পর 'বন্দে মাতরম' গাওয়া হয়। তিন নম্বরে গাওয়া হয় তামিলনাড়ুর রাজ্য সঙ্গীত। সেটাতেই আপত্তি উদয়নিধির। তাঁর এই বক্তব্য আগের বিতর্কিত মন্তব্যেরই পুনরাবৃত্তি বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন এবং তা 'নির্মূল' করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই মন্তব্যকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
একাধিক মামলাও দায়ের হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তবে সেই সময় ডিএমকে ছিল তামিলনাড়ুর ক্ষমতায়। কিন্তু এবার পাশা পালটেছে। তাঁর দল আর ক্ষমতায় নেই। বাবা স্ট্যালিনও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার থেকে সরেছেন। যদিও নিজের অবস্থান এতটুকু বদলাননি উদয়নিধি। তামিলনাড়ু বিধানসভার অধিবেশনে তিনি ফের 'সনাতন নির্মূলের' পক্ষে মন্তব্য করতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে অধিবেশনে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী বিজয় এই মন্তব্যের সময় নীরব থাকেন। তবে উদয়নিধির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন বিজেপির কোয়েম্বত্তূর (দক্ষিণ) কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক বানথি শ্রীনিবাসন। তাঁর দাবি, নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পরেও ডিএমকে নেতা ‘নিজের আচরণ শুধরে নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।' অন্যদিকে আরএসএস সনাতন ধর্মকে 'দেশের আত্মা' আখ্যা দিয়ে উদয়ানিধির করা মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে। আরএসএস আরও দাবি করেছে যে, তামিলনাড়ু নির্বাচনে জনগণ ডিএমকে-কে তাদের সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। উদয়ানিধি সনাতন ঐতিহ্য সম্পর্কে জানেন না। উদয়নিধির এই মন্তব্য আরএসএস এবং ডিএমকে-এর মধ্যে রাজনৈতিক ও আদর্শগত সংঘাতকে আবারও তীব্র করে তুলেছে।
{{/usCountry}}একাধিক মামলাও দায়ের হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তবে সেই সময় ডিএমকে ছিল তামিলনাড়ুর ক্ষমতায়। কিন্তু এবার পাশা পালটেছে। তাঁর দল আর ক্ষমতায় নেই। বাবা স্ট্যালিনও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার থেকে সরেছেন। যদিও নিজের অবস্থান এতটুকু বদলাননি উদয়নিধি। তামিলনাড়ু বিধানসভার অধিবেশনে তিনি ফের 'সনাতন নির্মূলের' পক্ষে মন্তব্য করতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে অধিবেশনে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী বিজয় এই মন্তব্যের সময় নীরব থাকেন। তবে উদয়নিধির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন বিজেপির কোয়েম্বত্তূর (দক্ষিণ) কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক বানথি শ্রীনিবাসন। তাঁর দাবি, নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পরেও ডিএমকে নেতা ‘নিজের আচরণ শুধরে নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।' অন্যদিকে আরএসএস সনাতন ধর্মকে 'দেশের আত্মা' আখ্যা দিয়ে উদয়ানিধির করা মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে। আরএসএস আরও দাবি করেছে যে, তামিলনাড়ু নির্বাচনে জনগণ ডিএমকে-কে তাদের সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। উদয়ানিধি সনাতন ঐতিহ্য সম্পর্কে জানেন না। উদয়নিধির এই মন্তব্য আরএসএস এবং ডিএমকে-এর মধ্যে রাজনৈতিক ও আদর্শগত সংঘাতকে আবারও তীব্র করে তুলেছে।
{{/usCountry}}রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সনাতন ধর্ম নিয়ে উদয়নিধির মন্তব্য দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে আবারও ধর্ম ও মতাদর্শের প্রশ্নকে সামনে এনে দিয়েছে। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের নীরবতা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে বলা যায় তামিলনাড়ুর নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরু হতেই ‘সনাতন’ বিতর্ক আবার রাজ্যের রাজনীতিকে উত্তপ্ত করে তুলেছে।