...
...
Next Story

RSS on Udhayanidhi Stalin: 'নির্মূল করা উচিত...,' ফের সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য উদয়নিধির, সরব RSS

RSS on Udhayanidhi Stalin: ০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর নতুন অধিবেশনের প্রথম দিনেই বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন বলেন, 'সনাতন, যা মানুষকে বিভক্ত করেছে, তা নির্মূল করা উচিত।'

Published on: May 13, 2026, 17:31:17 IST
Advertisement

RSS on Udhayanidhi Stalin: তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে। শুধু ক্ষমতা যাওয়াই নয়, তামিলনাড়ু বিধানসভায় আসনসংখ্যার নিরিখেও বেশ চাপে ডিএমকে। খোদ এমকে স্ট্যালিন ভোটে হেরেছেন। কিন্তু তাতেও নিজের পুরনো অবস্থান থেকে সরে আসছেন না তাঁর পুত্র উদয়নিধি স্ট্যালিন। এবার তামিলনাড়ু বিধানসভায় ‘সনাতন ধর্ম’কে নির্মূল করার বার্তা দিয়ে ফের বিতর্কে জড়িয়েছেন এই ডিএমকে বিধায়ক। আর উদয়নিধির ওই মন্তব্যে স্বভাবতই ফুঁসে উঠেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)।

বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন (TAMIL NADU ASSEMBLY)
বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন (TAMIL NADU ASSEMBLY)

এবার বিধানসভায় এম কে স্ট্যালিন জিততে পারেননি। তাই উদয়নিধিকেই বিরোধী দলনেতা করেছে ডিএমকে। বিরোধী দলনেতা হিসাবে বিধানসভায় প্রথম ভাষণেই ফের সনাতন ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন উদয়নিধি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর নতুন অধিবেশনের প্রথম দিনেই বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন বলেন, 'সনাতন, যা মানুষকে বিভক্ত করেছে, তা নির্মূল করা উচিত।' এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ছিল 'বন্দে মাতরম' নিয়ে। আসলে বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীতের পর 'বন্দে মাতরম' গাওয়া হয়। তিন নম্বরে গাওয়া হয় তামিলনাড়ুর রাজ্য সঙ্গীত। সেটাতেই আপত্তি উদয়নিধির। তাঁর এই বক্তব্য আগের বিতর্কিত মন্তব্যেরই পুনরাবৃত্তি বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন এবং তা 'নির্মূল' করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই মন্তব্যকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সনাতন ধর্ম নিয়ে উদয়নিধির মন্তব্য দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে আবারও ধর্ম ও মতাদর্শের প্রশ্নকে সামনে এনে দিয়েছে। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের নীরবতা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে বলা যায় তামিলনাড়ুর নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরু হতেই ‘সনাতন’ বিতর্ক আবার রাজ্যের রাজনীতিকে উত্তপ্ত করে তুলেছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe