...
...
Next Story

‘মিশন সুদর্শন!' PM মোদীর সফরে মেগা পরিকল্পনা, ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষায় ইজরায়েলি দুর্ভেদ্যে

‘অপারেশন সিঁদুরের' সময়, পাকিস্তানের লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে র‌্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্র, পাম-৪০০, হারপি ও হারপ কামিকাজে লয়টারিং অ্যামুনিশন ব্যবহার করেছিল ভারত।

Published on: Feb 21, 2026, 14:42:19 IST
Advertisement

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দুই দিনের ইজরায়েল সফরের প্রাক্কালে কৌশলগত সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর ও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নিচ্ছে দিল্লি-তেল আভিভ। এর অংশ হিসেবে যৌথভাবে অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, লেজার অস্ত্র, দূরপাল্লার স্ট্যান্ড-অফ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উন্নয়নের মতো বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে। আগামী ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক সফরে ইজরায়েল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

‘মিশন সুদর্শন!' (সৌজন্যে টুইটার)
‘মিশন সুদর্শন!' (সৌজন্যে টুইটার)

প্রধানমন্ত্রী মোদীর সফরে দুই দেশ নিরাপত্তা সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করতে পারে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ, ভারত ও ইজরায়েলের দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগামী কয়েক বছরে এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সফর ঘিরে দুই দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে খুব বেশি তথ্য প্রকাশ না করলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইজরায়েল ভারতকে সর্বাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে। এরমধ্যে বহুল আকাঙ্ক্ষিত উচ্চপ্রযুক্তির লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অন্যান্য স্ট্যান্ড-অফ অস্ত্র ব্যবস্থাও রয়েছে।

এই বিস্তৃত প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে ওঠে গত বছরের নভেম্বরে ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব আর কে সিংয়ের ইজরায়েল সফরের সময়। ওই সফরে দুই দেশের মধ্যে সম্প্রসারিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ে একটি এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। ভারত বর্তমানে ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নের চেষ্টা করছে। এটি ‘মিশন সুদর্শন’-এর মূল চাবিকিাঠি, যার লক্ষ্য শত্রুপক্ষের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র থেকে ভারতের অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ডকে সুরক্ষা দেওয়া। এই মিশনের ঘোষণা করেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং এটি ভারতের অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক প্রতিরক্ষা কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। এ ক্ষেত্রে ইজরায়েল বিশ্বে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ। সে দেশের হাতে রয়েছে দূরপাল্লার ‘অ্যারো’, মধ্যপাল্লার ‘ডেভিডস স্লিং’ এবং স্বল্পপাল্লার ‘আয়রন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। গত বছরের জুনে ইরানের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ৯৮ শতাংশ প্রতিহত করতে সক্ষম হওয়ায় ইজরায়েলের এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকারিতার প্রমাণ দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে দুই দেশ রাজনৈতিক নানা ইস্যু ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একই সুরে কথা বলে। এই সফরে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কৃষি, বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং উচ্চমানের কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বিষয়ে পৃথক আলোচনা হওয়ার কথাও রয়েছে দু’দেশের মধ্যে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe