শনিবার দিনভর সিজেপি (ককরোচ জনতা পার্টি )র ডাকে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তপ্ত ছিল দিল্লি। মুম্বইতেও এই বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। রিপোর্ট বলছে, দেশ জুড়ে এখনও পর্যন্ত আটক ৭ হাজার জন। বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লি পুলিশ আটক করে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় সহ দেশের ৪ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভ আগামিকাল রবিবারও চলবে বলে জানিয়েছে সিজেপি। এদিকে, দিল্লিতে মেট্রো, ট্রেন বন্ধ থাকায় সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে আদালত অবমাননার মামলা। তারও শুনানি রবিবার।

শনিবার, সকালেই দিল্লিতে তাঁর বিমান পৌঁছতেই বিমানের ভিতর থেকে আটক হন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দিপকে সহ অনেকে। এরপর আন্দোলনের নেতৃত্বের রাশ পৌঁছয় অজিঙ্কা শিন্ডের কাঁধে। শনিবারের সন্ধ্যায় সিজেপি জানিয়েছে, তারা রবিবারও আন্দোলন চালাবে। এদিনের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লির যন্তর মন্তর চত্বর ছিল প্রায় দুর্গ! এলাকার একটা জায়গা পর্যন্ত রুদ্ধ ছিল ইন্টারনেট এদিকে, সিজেপি এক বিবৃতিতে সিজেপি নেতা অজিঙ্কা শিন্ডে অভিযোগ করেছেন যে, সরকার এই প্রতিবাদ আন্দোলনের ভয়ে জাতীয় রাজধানী অচল করে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, দলটি ‘আগামিকাল আরও শক্তিশালী হয়ে’ রাস্তায় ফিরবে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবে। দলটি দীপকে, রাঙ্কা ও দাসের অবস্থান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, আটক নেতাদের অবাধে যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
এদিকে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী-সহ বিরোধী দলের বিভিন্ন নেতার উপরে দিল্লি পুলিশি পদক্ষেপ নেওয়া এবং একাধিক মেট্রো-রেল স্টেশন বন্ধ রাখার ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে। জানা যাচ্ছে, রবিবার বিশেষ বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে বলে খবর। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহন-এর একটি বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। ফলত, রবিবার একদিকে যেমন ফের পথে নামবে সিজেপি, তেমনই আবার ওই দিনে দেশেরে শীর্ষ কোর্টে চলবে মামলার শুনানি।
শনিবার সিজেপির বিক্ষোভের আগে একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং দিল্লিমুখী ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা নিয়ে বেশ কিছু আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। গত ৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, নিরাপত্তার কারণে মেট্রো-রেলের মতো গণপরিবহণ পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া যায় না। আদালত জানায়, এই পরিষেবা নিয়ন্ত্রিত ভাবে চালাতে হবে। এদিকে, দিল্লিতে এদিন ৪৫টি স্টেশন বন্ধ ছিল বলে খবর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন বাতিলের মতো বিধিনিষেধ বহাল ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগেই আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।
{{/usCountry}}শনিবার সিজেপির বিক্ষোভের আগে একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং দিল্লিমুখী ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা নিয়ে বেশ কিছু আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। গত ৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, নিরাপত্তার কারণে মেট্রো-রেলের মতো গণপরিবহণ পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া যায় না। আদালত জানায়, এই পরিষেবা নিয়ন্ত্রিত ভাবে চালাতে হবে। এদিকে, দিল্লিতে এদিন ৪৫টি স্টেশন বন্ধ ছিল বলে খবর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন বাতিলের মতো বিধিনিষেধ বহাল ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগেই আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।
{{/usCountry}}