ভারতীয় শেয়ার বাজারে বর্তমানে কয়েকটি স্মল-ক্যাপ এবং মিড-ক্যাপ শেয়ার বিনিয়োগকারীদের নজরে রয়েছে। তবে সম্প্রতি একটি বিশেষ কোম্পানি আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে, সেটি হল তিলকনগর ইন্ডাস্ট্রিজ। বাজারের বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মদ প্রস্তুতকারী সংস্থার শেয়ার আগামিদিনে বিনিয়োগকারীদের পকেট ভরাতে পারে। বিশ্লেষকদের দাবি, বর্তমান স্তর থেকে এই শেয়ারের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ওই সংস্থার যা ট্রেন্ড, তাতে ছয় বছরে ১০,০০০ টাকা পরিণত হয়ে গিয়েছে তিন লাখ টাকায়।
কেন আলোচনায় তিলকনগর ইন্ডাস্ট্রিজ?

তিলকনগর ইন্ডাস্ট্রিজ মূলত রাম এবং অন্যান্য মদ উৎপাদনের জন্য পরিচিত। তাদের ফ্ল্যাগশিপ ব্র্যান্ড 'ম্যানশন হাউস' (Mansion House) ভারতে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিক ফলাফল এবং কোম্পানির ঋণের বোঝা কমানোর পরিকল্পনা বাজার বিশেষজ্ঞদের ইতিবাচক সংকেত দিয়েছে। শেয়ার বাজারের বিশিষ্ট ব্রোকারেজ হাউস এবং বাজার বিশেষজ্ঞরা এই স্টকের ওপর 'বাই' (Buy) রেটিং বজায় রেখেছেন। তাঁদের মতে, কোম্পানির ব্যবসায়িক মডেল এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক যেভাবে শক্তিশালী হচ্ছে, তাতে শেয়ারের দামের দৌড় থামার লক্ষণ নেই।
ওই সংস্থা নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
সংবাদমাধ্যম লাইভ হিন্দুস্তানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞরা তিলকনগর ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের জন্য একটি উচ্চ টার্গেট প্রাইজ নির্ধারণ করেছেন। বর্তমানে শেয়ারটি যে স্তরে আছে, সেখান থেকে এটি ৪০ শতাংশ পর্যন্ত লাভের মুখ দেখাতে পারে। অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি বা মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা যদি এই স্তরে প্রবেশ করেন, তবে ভালো মুনাফার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোম্পানিটি তাদের প্রিমিয়াম সেগমেন্টে ফোকাস বাড়াচ্ছে। মানুষের খরচের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের চাহিদা বাড়ছে, যার সরাসরি সুবিধা পাচ্ছে তিলকনগর ইন্ডাস্ট্রিজ।
আর্থিক অবস্থা ও শেয়ার বাজারে পারফরম্যান্স
গত এক বছরে তিলকনগর ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার বিনিয়োগকারীদের মাল্টিব্যাগার রিটার্ন না দিলেও স্থিতিশীলতা বজায় থেকেছএ। কোম্পানির ব্যালেন্স শিট আগের চেয়ে অনেক বেশি মজবুত হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা বিশেষ নজর রাখছেন কোম্পানির ডেট-টু-ইকুইটি রেশিও বা ঋণের হারের ওপর। কোম্পানি ক্রমাগত তাদের ধার পরিশোধ করে চলেছে, যা যেকোনো সংস্থার ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।
{{/usCountry}}গত এক বছরে তিলকনগর ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার বিনিয়োগকারীদের মাল্টিব্যাগার রিটার্ন না দিলেও স্থিতিশীলতা বজায় থেকেছএ। কোম্পানির ব্যালেন্স শিট আগের চেয়ে অনেক বেশি মজবুত হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা বিশেষ নজর রাখছেন কোম্পানির ডেট-টু-ইকুইটি রেশিও বা ঋণের হারের ওপর। কোম্পানি ক্রমাগত তাদের ধার পরিশোধ করে চলেছে, যা যেকোনো সংস্থার ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।
{{/usCountry}}